kalerkantho


ঘন ঘন ফেরি বিকল

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে সংকট বাড়ছে

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি   

১৮ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার পাটুরিয়া নৌপথে ফেরির সংকট দিন দিন বাড়ছে। বহরে থাকা ১২টি রো রো (বড়) ফেরির মধ্যে ছয়টি বিকল হয়ে আছে। এর মধ্যে ভাষাসৈনিক ডা. গোলাম মাওলা নামের ফেরিটি গতকাল শনিবার বিকেলে পাটুরিয়া থেকে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়। এর আগে বিভিন্ন সময় বিকল হয় অন্য পাঁচটি বড় ফেরি। বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন, কেরামত আলী, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ও আমানত শাহ নামের ওই ফেরিগুলো মেরামতকাজের জন্য নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডেই পড়ে আছে।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার সকালে স্বর্ণচাঁপা নামের ফেরিটি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ থেকে প্রত্যাহার করে পটুয়াখালীর বদনাতলীতে পাঠানো হয়েছে। ১২টি রো রো (বড়) ফেরির মধ্যে ছয়টি বিকল থাকার পাশাপাশি স্বর্ণচাঁপা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় ব্যস্ততম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরির তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে পদ্মা নদীতে পানির স্তর অনেক কমে গেছে। সেই সঙ্গে দৌলতদিয়ার ৪ ও ৬ নম্বর ঘাট ‘মিডওয়াটার লেভেল থেকে লো ওয়াটারে’ নামানো হয়নি। এতে ফেরিতে গাড়ি ওঠানামা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আট দিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ৪ ও ৬ নম্বর ঘাট দুটি বন্ধ হয়ে আছে। তবে বন্ধ থাকা ওই ঘাট দুটি দ্রুত চালু করতে সেখানে বাঁশ ও বালুভরা বস্তা দিয়ে পন্টুন থেকে ২৮০ ফুট দীর্ঘ ও ১৬ ফুট প্রস্থের নতুন পকেটপথ নির্মাণের কাজ চালাচ্ছেন বিআইডাব্লিউটিএর কর্মীরা। সেখানে ছয়টি ঘাটের দুটি বন্ধ থাকায় চালু থাকা অন্য চারটি ঘাট দিয়ে এখন কোনো রকমে গাড়িগুলো পারাপার করা হচ্ছে।

বিআইডাব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঘন ঘন বিকল হয়ে পড়ায় ফেরির সংকট দিন দিন বাড়ছে। পাশাপাশি ঘাটসংকটের কারণে এ নৌপথে স্বাভাবিক ফেরি পারাপার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ঘাটে আসা গাড়ির চাপ বেড়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।’

 



মন্তব্য