kalerkantho


বিবিসিকে শফিকুর রহমান

ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী পক্ষে জামায়াতের নেতাকর্মীরা কাজ করবে বলে জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান। একইভাবে যেসব আসনে জামায়াতের নেতারা প্রার্থী হবেন, সেসব আসনে ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন বলে আশা করেন তিনি।

গত বুধবার বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন বাতিল হওয়া জামায়াতে ইসলামীর নেতা শফিকুর রহমান।

গত অক্টোবরে ঐক্যফ্রন্ট গঠনের সময় বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আপত্তি তোলেন ঐক্যফ্রন্টের কয়েকজন নেতা। বিএনপি যেন জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা ত্যাগ করে—এমন পরামর্শও দেওয়া হয় তাদের।

এ রকম পরিস্থিতিতেও কোনো একটি আসনে ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষেই জামায়াতের নেতাকর্মীরা কাজ করবে বলে নিশ্চিত করেন দলটির নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘একটি বৃহত্তর উদ্দেশ্যকে যদি সফল করতে হয় তাহলে সবাইকে বড় মনের পরিচয় দিতে হবে।’

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন, তাঁদের দলের নিবন্ধন বাতিল হলেও নির্বাচনের জন্য তাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় জামায়াত দল হিসেবে বা দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না । কিন্তু জামায়াতের নেতারা অন্য কোনো নিবন্ধিত দলের প্রতীকে বা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে পারবেন বলে কিছুদিন আগে এক বক্তব্যে নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

বিবিসির প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ২০ দলীয় জোটের অংশ, যেটি এখন ২৩ দলে পরিণত হয়েছে। আমরা জোটের ভিত্তিতেই নির্বাচনে অংশ নেব। জামায়াতের হাতে দুটি পথ রয়েছে। অন্য কোনো নিবন্ধিত দলের মার্কা নিয়ে নির্বাচন করতে পারি অথবা স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচন করতে পারি।’

দলটির মোট কতজন নির্বাচন করতে পারেন—এমন প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘৫০ থেকে ৬০ জন এবারের নির্বাচনে অংশ নেবেন। তবে এটা জোটের দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে। এ জন্য জোটের প্রধান শরিক দলের (বিএনপি) সঙ্গে শিগগিরই বৈঠক হবে আমাদের। ওই বৈঠকেই এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এরপর দলীয় ফোরামে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

নির্বাচনে নিজেদের দল ও প্রতীক না থাকা এবং দলের কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ও কয়েকজন কারাবন্দি হওয়া প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এতে নির্বাচনী প্রচারাভিযান ও কার্যক্রমে বড় ধরনের ক্ষতি হবে না বলে মনে করি।’



মন্তব্য