kalerkantho


তোশাখানা জাদুঘর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

২০২১ সালের মধ্যে দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করব

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



দেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে এবং দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বিজয় সরণিতে বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরের পাশে নবনির্মিত তোশাখানা উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা আমাদের শুধু স্বাধীনতাই দিয়ে যাননি, তিনি আমাদের মর্যাদাও দিয়ে গেছেন। এই মর্যাদাকে আমাদের সমুন্নত রাখতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদ্‌যাপন করব এবং ওই সময়ের মধ্যে দেশকে আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করে গড়ে তুলব। আর ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ।’

রাষ্ট্রীয় তোশাখানার পাঁচতলার অত্যাধুনিক ভবনটির আয়তন ৫০ হাজার স্কয়ার ফুট। ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই তোশাখানায় দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা এবং কর্মকর্তারা যেসব রাষ্ট্রীয় উপহার পাবেন, তা সংরক্ষণ করা হবে।

রাষ্ট্রীয় পদাধিকারীদের দেশ-বিদেশ থেকে পাওয়া উপহারসামগ্রী সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ উপহারসামগ্রী দেশের সম্পত্তি এবং দেশের সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক। কাজেই এসবকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, অতীতে তাঁর নামে এবং নৌকার প্রতীকসংবলিত অনেক উপহার, বিভিন্ন দুর্লভ আলোকচিত্র বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, সেনাবাহিনী প্রকৌশল বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল সিদ্দিকুর রহমান সরকার বক্তব্য দেন। বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা, কূটনৈতিক মিশনের সদস্যরা, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধান এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রিপরিষদসচিব মো. শফিউল আলম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সূত্র : বাসস।



মন্তব্য