kalerkantho


ইসিতে বিএনপির বিরুদ্ধে নালিশ

ভোট এক দিনও পেছানো ঠিক হবে না : আ. লীগ

বিশেষ প্রতিনিধি   

১৫ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



ভোট এক দিনও পেছানো ঠিক হবে না : আ. লীগ

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে গতকাল ইসির সঙ্গে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের নেতারা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ভোটের তারিখ পেছানো নিয়ে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবির বিরোধিতা করেছে আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় দলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।

বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা গতকাল বুধবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে যায় আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধিদল। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে এক ঘণ্টা বৈঠক করেন। বৈঠকে বিদেশি পর্যবেক্ষক, নতুন ভোটার, বই বিতরণ, ইজতেমার প্রসঙ্গ টেনে ভোট না পেছানোর দাবি জানিয়েছে ক্ষমতাসীন দল।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে এইচ টি ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে ভোট পেছাতে যুক্তি উপস্থাপন করছে অনেকেই। খেয়াল করছেন না ভোটের পরে কী হতে পারে? আমরা সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে বলেছি, নির্বাচন পেছানোর দাবি অমূলক। আর এক দিনও পেছানো ঠিক হবে না।’ জানুয়ারিতে ভোট করতে গেলে আইন অনুযায়ী নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত করার বাধ্যবাধকতা আছে বলেও জানান তিনি।

এইচ টি ইমাম আরো বলেন, ভোট পেছানোর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘাত ঘটানো হয়েছে বলে ইসির কাছে অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ। এই ধরনের ঘটনা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল উল্লেখ করে বিএনপির বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তিনি বলেন, বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের ওপর হামলায় নির্বাচনী আচরণবিধির ১১, ১৭ ও ১৮ ধারা লঙ্ঘিত হয়েছে। এই অপরাধের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বিএনপির উদ্দেশে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্য বলেন, ‘এখানে এসে ওনারা শান্তির কথা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির কথা বলেন। আর অন্যদিকে ২০১৩ সালের মতো সন্ত্রাসের পথ বেছে নেওয়া হচ্ছে। ওই সময় ৯২ দিন ধরে মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, ৭০টি সরকারি স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। এবারও পুলিশের গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে। এগুলো কিসের আলামত? আমরা ইসিকে বলেছি, নয়াপল্টনে সংঘটিত সন্ত্রাসী ঘটনা আচরণবিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।’

আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলে ছিলেন মসিউর রহমান, দীপু মনি, ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিপ্লব বড়ুয়া, দেলোয়ার হোসেন, কাজী ইমাম, রশিদুল আলম, সেলিম মাহমুদ, মারুফা আক্তার পপি, মোস্তাফিজুর রহমান ও মোস্তাফিজুর রহমান বাবলা।



মন্তব্য