kalerkantho


সাতক্ষীরা-৪ আসন

এরশাদের প্রার্থিতার কারণ খুঁজছে এলাকাবাসী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি   

১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ নিজেকে প্রার্থী করবেন বলায় এলাকার নির্বাচনী হিসাবনিকাশ জটিল আকার নিয়েছে। গত ৭ নভেম্বর সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে জেলা জাতীয় পার্টির নেতারা দলের চেয়ারম্যানের এই আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। তবে কী কারণে হঠাৎ এ আসনে এরশাদ প্রার্থী হচ্ছেন, সে নিয়ে আলোচনা চলছে জেলা ও উপজেলা জাপা নেতাদের মধ্যে।

শ্যামনগর উপজেলা ও কালীগঞ্জ উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত সাতক্ষীরা-৪ নির্বাচনী আসন।

শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন জানান, ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে জাতীয় পার্টির এইচ এম গোলাম রেজা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়লাভ করেন। উপজেলায় বর্তমানে জাপার কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই। গোলাম রেজা অতি সম্প্রতি দল বদল করে বিকল্পধারায় যোগ দিয়েছেন।  আসনটি  ফের জাতীয় পার্টির ঘরে নিতে চেয়ারম্যান নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেন বলে তাঁর ধারণা।

উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম জানান, গোলাম রেজা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। দলের চেয়ারম্যানের নাম ভাঙিয়ে ঢাকা শহরেও গাড়িবাড়ির মালিক হয়েছেন। বিষয়টি দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ জানতে পেরে তাঁকে দল থেকে বাদ দেন। গত মাসে গোলাম রেজা বিকল্পধারায় যোগ দেন। তিনি বিকল্পধারার হয়ে সাতক্ষীরা চার আসনে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এ ঘটনায় দলের চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে এ আসনে নির্বাচন করবেন বলে তিনি মনে করেন। তবে এর সঙ্গে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা তাঁর জানা নেই।

উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মোড়ল জানান, এ আসন থেকে তিনি এবার নির্বাচন করবেন বলে পাঁচ বছর ধরে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। দলের চেয়ারম্যানের আকস্মিক ঘোষণায় তিনি কিছুটা মর্মাহত হলেও খুশি।

জেলা জাপা সভাপতি শেখ আজহার হোসেন জানান, গত ৭ নভেম্বর দলের মহাসচিব রুহুল আমীন হাওলাদার তাঁকে টেলিফোন করেন। এইচ এম এরশাদ এবার সাতক্ষীরা-৪ আসনে নির্বাচন করবেন বলে তিনি তাঁকে জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন নির্বাচিত হয়েছিলেন।



মন্তব্য