kalerkantho


দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ‘নির্যাতনের মুখে গৃহবধূর আত্মহত্যা’

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রুমা আক্তার (২৩) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহকারী ছিলেন। স্বজনদের অভিযোগ, যৌতুকের জন্য স্বামী ও শশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

রুমার বাবার নাম কেরামত বেপারী। তাঁদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর সদর থানার খাকদি এলাকায়। চলতি বছরের শুরুর দিকে তিনি সহকর্মী মো. দানেশকে (৩৪) বিয়ে করেন।

নিহতের বড় ভাই মো. মাসুদ জানান, রুমা নিজের পছন্দে বিয়ে করেন। স্বামীর সঙ্গে তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় থাকতেন। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছয় লাখ টাকা যৌতুক চেয়ে আসছে। এরই মধ্যে দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাকি টাকার জন্য রুমার ওপর তারা নানাভাবে নির্যাতন চালাত। এর মধ্যে সম্প্রতি দানেশের সঙ্গে আরেকটি মেয়ের সম্পর্কের কথা সামনে আসে। মাসুদ বলেন, ‘গত বুধবার দুপুরে আমার বোন বাবাকে ফোন করে বলে, আব্বু আমাকে বাঁচান। আমি আর নির্যাতন সহ্য করতে পারছি না। এর পর থেকে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ অবস্থায় আমার বাবা বোনের বাড়িতে গিয়ে ঘর বন্ধ দেখতে পায়। পাশের ঘরেই দানেশ ও তার বোন বসা ছিল। আমার বাবা ঘরের জানালা দিয়ে বোনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। রুমার আত্মহত্যার জন্য তার স্বামী ও শশুরবাড়ির লোকজন দায়ী।’

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম জানান, রুমার মরদেহ ফ্যানের হুকের সঙ্গে ঝুলে ছিল। স্বামী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মামলা করেছেন।



মন্তব্য