kalerkantho


ইরাবতিকে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল চাগ

রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিচারে কড়া অবস্থানে যুক্তরাজ্য

জুয়েল রাজ, লন্ডন থেকে   

২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিপীড়নের ঘটনায় জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের বিচারে জোরালো অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাজ্য। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীতে অপরাধের সংস্কৃতি বন্ধ করতেও এই নিপীড়নের বিচার করতে যুক্তরাজ্য আগ্রহী। ইতিমধ্যে ব্রিটিশ সরকার মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে সব ধরনের সহায়তা প্রদান বন্ধ করেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে ব্রিটেন।

মিয়ানমারে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল চাগ সম্প্রতি মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান। তিনি নিজের অভিজ্ঞতা, মিয়ানমার-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক নিয়ে ইরাবতির সঙ্গে কথা বলেন।

ড্যানিয়েল চাগ বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ জোরালো করেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। তাদের মধ্যে যুক্তরাজ্যও রয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই ভয়ানক অপরাধে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে কী ঘটছে তা দেখতে আমরা আগ্রহী। সামগ্রিকভাবে এটা মিয়ানমারের স্বচ্ছতা এবং আইনের শাসনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটা ভবিষ্যতে এই বার্তা দেবে, কোনো কিছু করে দায়মুক্তি পাওয়া যাবে না।’

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘৩০ বছর ধরে আমাদের নীতি ছিল মিয়ানমারের গণতন্ত্র, বাক্স্বাধীনতা এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীকে সমর্থন। সেই নীতি এখনো চলছে। কিন্তু রাখাইনে যা ঘটেছে সে জন্য এটা করা আরো জটিল ও কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ আমরা আর কোনোভাবেই সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করতে পারছি না।’

চাগ বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারকে সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রেখেছি। গত বছর আমরা ২০ কোটি মার্কিন ডলারের মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তা দিয়েছি। এর ফলে জাপানের পর আমরা দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ দাতা দেশে পরিণত হয়েছি।’ তিনি বলেন, প্রচুর সমস্যায় জর্জরিত মিয়ানমার অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। এসব চ্যালেঞ্জের কোনো কোনোটির শিকড় কয়েক দশকের গভীরে।



মন্তব্য