kalerkantho


জাতীয় সংসদে আলোচনায় জাতীয় ঐক্য

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনকে একটি ‘অশুভ ঘটনার’ প্রয়াস উল্লেখ করে গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে তীব্র সমালোচনা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর খুনি ও স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং একুশে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িতদের সঙ্গে ড. কামাল হোসেন ঐক্য করেছেন বলে গতকাল অধিবেশনের পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনা হয়। এ বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার দাবি উঠেছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেননি।

সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, ড. কামাল হোসেন নিজেকে সংবিধান প্রণেতা দাবি করেন, সেই তিনি কী করে সংবিধান পরিপন্থী দাবি তোলেন? তাঁদের দাবি সাংবিধানিক নয়। যারা সংবিধানবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত, যারা একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত, যারা বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত, গ্রেনেড হামলার দায়ে যেই দলের নেতাদের ফাঁসির রায় হয়েছে, যাবজ্জীবন দণ্ড হয়েছে, তাদের সঙ্গে নিয়ে ড. কামাল হোসেন কিভাবে ঐক্য করেন?

মন্ত্রী বলেন, ‘একটি অশুভ ঘটনা হতে চলেছে। আমরা স্পিকারের অনুমতি নিয়ে যেকোনো এক দিন এটা নিয়ে আলোচনা করতে চাই, দেশের মানুষকে অনেক কিছু জানাতে চাই। এর জন্য প্রয়োজনীয় হোমওয়ার্ক করতে চাই। স্পিকার অনুমতি দিলে আমরা ভালো আলোচনা করব।’

তিনি স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি আরেকটি বিষয়ে এই অধিবেশনে আলোচনার জন্য নোটিশ দেব। গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশকে বিশ্ব দরবারে অনন্য স্থানে তুলে ধরেছেন। এ বিষয়টি নিয়েও আমরা আলোচনা করতে চাই।’

এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিএনএফ চেয়ারম্যান এস এম আবুল কালাম আজাদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ড. কামাল হোসেন সংবিধান প্রণয়ন করেছেন। তিনি নিজেকে সংবিধান প্রণেতা দাবি করেন। কিন্তু সংবিধানের মুখবন্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম রাখা হয়নি। এত দিনে আমরা বুঝতে পারলাম কেন সংবিধানের মুখবন্ধে জাতির জনকের নাম রাখা হয়নি। ড. কামাল হোসেন মুক্তিযুদ্ধে ছিলেন না, তিনি পাকিস্তানপন্থী ছিলেন। এ কারণেই তিনি সংবিধানের মুখবন্ধে বঙ্গবন্ধুর নাম রাখেননি উদ্দেশ্যমূলকভাবেই। এটা তার অসততা, অসৎ উদ্দেশ্য ছিল। এই অসততার জন্য ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’



মন্তব্য