kalerkantho


কর্ণফুলী ছাত্রলীগ নেতা মামুন হত্যাকাণ্ড

২৩ দিনেও ধরা পড়েনি ৪ আসামি এলাকাবাসীর সড়ক অবরোধ

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



কির্ণফুলী উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মামুনুর রশিদ সাগর খুনের ২৩ দিন পরও পুলিশ এক আসামি ছাড়া অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এতে এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী (পিএবি) সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় জনসাধারণ।

ঘটনার পরের দিন নিহতের বড় ভাই মো. ইয়াছিন বাদী হয়ে পাঁচজনকে এজাহারনামীয় এবং আরো ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে কর্ণফুলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

১ অক্টোবর মামলার ৩ নম্বর আসামি মোহাম্মদ ওমরকে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর এলাকায় খালার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্য আসামিরা হলেন বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমীরপুর এলাকার নুরুল আলমের ছেলে মো. আজম (২৮), মকবুল আহমদের ছেলে মো. ওমর (২০), নুরুচ্ছফা প্রকাশ সাহেব মিয়ার ছেলে মো. আশিক (২৬), আবু তাহেরের ছেলে আলী আজগর (২৪) ও মোহাম্মদ ছৈয়দের ছেলে মো. শাহনুর (২২)। তাঁর ওই এলাকার ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

মামলার বাদী মো. ইয়াছিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পুলিশ আমাদেরকে জানিয়েছে আসামিদেরকে খুব শিগগিরই গ্রেপ্তার করবে। খুনিদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি ও ফাঁসি দাবি জানাচ্ছি।’ 

কর্ণফুলী থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসান ইমাম বলেন, ‘ইতোমধ্যে মামুন হত্যার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি আসামিরাও চিহ্নিত হয়েছে। আসামিরা বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে রয়েছে। পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।’

উল্লেখ্য, ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিহতের বাড়ির ১০০ গজ দূরত্বে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে মামুনকে। তাঁর ডানপাশের হাত উপড়ে ফেলা হয়। এ সময় মামুনের সাথে থাকা ছাত্রলীগ নেতা আজিজ প্রাণে রক্ষা পেলেও তিনি আহতাবস্থায় নিজ বাড়িতে রয়েছেন।



মন্তব্য