kalerkantho


নানিয়ারচরে ইউপিডিএফ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটি প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) এক সংগঠককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নানিয়ারচর বাজার এলাকার বিহারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত ব্যক্তির নাম শান্তি চাকমা ওরফে শান্ত (৩৫)। তিনি নানিয়ারচর উপজেলায় ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নানিয়ারচর বাজারের পাশে বিহারপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দলের কয়েকজন কর্মী। ঘটনার সময় ওই বাসার পাশের টিউবওয়েলের পাশেই শান্তকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) কর্মীকে হত্যার ঘটনায় ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপকে দায়ী করেছে সংগঠনটি। তবে ঘটনা অস্বীকার করেছে প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ।

ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) দপ্তর সম্পাদক মিটন চাকমা বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যার দিকে তিনি বাসার পাশে টিউবওয়েলের পানিতে গোসল করছিলেন। এমন সময় পাশেই ওৎ পেতে থাকা ইউপিডিএফের সন্ত্রাসীরা ব্রাশফায়ার করে তাঁকে হত্যা করে। পরে ইঞ্জিন বোটে করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।’

তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপ। দলটির মুখপাত্র নিরন চাকমা বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলও হতে পারে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার একটি রেন্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নামের নতুন আঞ্চলিক সংগঠনটি। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার সাড়ে পাঁচ মাসের মাথায় খুন হন প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমা ওরফে বর্মা। নতুন আত্মপ্রকাশ করা এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পাহাড়ে সাংঘর্ষিক অবস্থা বিরাজ করছে। এর মধ্যেই নিহত হয়েছেন নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমাও।

 



মন্তব্য