kalerkantho


নেপালে বিমান দুর্ঘটনা

বীমার চেক হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



বীমার চেক হস্তান্তর

ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের হাতে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করেন সেনা কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ফিরোজ হাসান। ছবি : আইএসপিআর

নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত আটটি পরিবারকে গতকাল বুধবার মহাখালীর রাওয়া ক্লাবে ‘সেনাকল্যাণ ইনস্যুরেন্স কম্পানি লিমিটেড’-এর পক্ষ থেকে সেনাকল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ফিরোজ হাসান বীমা দাবির চেক প্রদান করেন। ছয়টি নিহত পরিবারের প্রত্যেক পরিবারকে ৫১ হাজার ২৫০ ইউএস ডলার করে তিন লাখ সাত হাজার ৫০০ ইউএস ডলার ও আহতদের দুই পরিবারকে ৪২ হাজার ইউএস ডলার সর্বমোট তিন লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ ইউএস ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়। আইএসপিআর জানায়, এর আগে গত ৬ আগস্ট আটটি পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের ৫১ হাজার ২৫০  ইউএস ডলার করে মোট চার লাখ ১০ হাজার ইউএস ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়। অবশিষ্ট ৯টি পরিবারের মাঝে আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর ক্ষতিপূরণের অর্থ দেওয়া হবে। দুর্ঘটনায় ইউএস-বাংলার বিমানটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে বিধায় সার্ভেয়ার কম্পানির রিপোর্ট অনুযায়ী বিমানটির মোট ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে সাত মিলিয়ন ইউএস ডলার, যা এরই মধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে বীমার অর্থ  দেওয়াই  ছিল সেনা কল্যাণ ইনস্যুরেন্সের প্রধান লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে প্রচলিত ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিয়মকানুন অনুযায়ী ইন্টারন্যাশনাল এভিয়েশন ট্রিটিজ, কনভেনশন, বাংলাদেশ ও নেপালের সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ইত্যাদি বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক সার্ভে প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ অনুযায়ী প্রত্যেক নিহত যাত্রীদের জন্য ক্ষতিপূরণ অর্থ দেওয়া হয়। প্রত্যেক নিহত যাত্রীর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ হাজার ২৫০ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ। সংশ্লিষ্ট যাত্রীর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির ভিত্তিতে আহত যাত্রীদের ক্ষতিপূরণ নিরূপিত হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণকালের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটে।



মন্তব্য