kalerkantho


নবজাতক ছিন্নবিচ্ছিন্ন

দেবিদ্বারে সেই পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া বরখাস্ত

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক প্রসূতির প্রসবের চেষ্টাকালে নবজাতকের হাত ও দেহের বিভিন্ন অংশ ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় আয়া জেসমিন আক্তার ডলি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী শিরিন আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মো. মজিবুর রহমান গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিদর্শনে এসে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাঁদের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেন। একই সঙ্গে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে মেডিক্যাল অফিসার ডা. ফারহানা ইয়াছমিন ও অর্থোপেডিক বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট আপেল মামুদকে শোকজ করা হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনা অনুসন্ধানে গত সোমবার তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগে গত রবিবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. তামান্না আফতাব সোলাইমানকে প্রধান এবং আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মঞ্জুর রহমান ও মেডিক্যাল অফিসার ডা. আহসানুল হক মিলুকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু ঘটনার সময় ডা. আহসানুল হক মিলু রাত্রীকালীন ডিউটিতে থাকায় গত সোমবার দুপুরে ওই তদন্ত কমিটি থেকে তাঁকে বাদ দিয়ে শিশু কনসালট্যান্ট ডা. আশরাফুল ইসলামকে কমিটিতে যুক্ত করা হয়। ওই কমিটির তদন্ত গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে।

কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মজিবুর রহমান বলেন, ‘আয়া জেসমিন আক্তার ডলি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী শিরিন আক্তারের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিনিয়র নার্স ও ডাক্তারদের দায়িত্ব অবহেলার কোনো প্রমাণ আমাদের কাছে এলে তাঁদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই নবজাতকের বয়স ছিল সাড়ে সাত মাস এবং গর্ভেই মৃত ছিল। প্রসবের সময় আমাদের দুজন সিনিয়র নার্স ও আয়া অংশ নিয়েছিলেন।’



মন্তব্য