kalerkantho


অফিসে সময় থাকলে...

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



অফিসে সময় থাকলে...

অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও ব্যস্ততা আমাদের পেশাজীবন স্ট্রেসপূর্ণ করে তোলে। তবুও কাজের ফাঁকে কিছু সময় তো মিলেই যায়। এ সময় এমন কিছু করতে পারেন যা আপনার দেহ-মন এবং ক্যারিয়ারের জন্যেও ভালো হবে। এ নিয়েই আজকের টিপস—

সহকর্মীর সঙ্গে কফি খান

মিনিট পাঁচেকের চা-কফির আড্ডায় স্ট্রেসের অনেকটাই গায়েব হয়ে যায়। সঙ্গে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স চলতে পারে। এ সময় অযথা অফিসের টেবিলে বসে নষ্ট করবেন না। এটা-সেটা নিয়ে আলোচনা করুন। ফুরফুরে হয়ে আবারও কাজে বসুন।

হেঁটে আসুন

এটা হলো কাজের ফাঁকে ব্যায়ামের কৌশল। বাইরের আলো-বাতাস গায়ে লাগিয়ে আসুন। মেজাজ ভালো হয়ে যাবে। আবার চেয়ারে বসে থাকতে থাকতে ব্যাকপেইনের ঝুঁকি বাড়ে। যদি হাঁটেন তবে সুস্থ থাকবেন। দেহের জড়তা কর্মীদের উৎপাদনশীলতা হ্রাস করে। এ ক্ষেত্রে হাঁটাই সমাধান।

টেবিল গুছিয়ে নিন

কাজের টেবিল পরিষ্কার ও গোছানো থাকলে মনটাও ভালো থাকে। ছোট গাছ রাখতে পারেন দু-একটি। কম্পিউটারটাও পরিষ্কার করে ফেলুন। আবার জাংক মেইলগুলো ফেলে দিতে পারেন। এগুলো স্ট্রেসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কম্পিউটারের ফাইল গোছান

অনেক ঝামেলার একটা কাজ। করার সময়ই হয়ে ওঠে না। অফিসে এক ঘণ্টা সময় হাতে পেয়ে গেলে বড় কাজগুলো সারতে পারেন। কম্পিউটারের যত এলোমেলো ফাইল আছে তা গুছিয়ে ফেলুন। এ কাজটি করা হয়ে ওঠে না।

পরিকল্পনা করুন

আগামীকালের কাজের পরিকল্পনাটা সেরে ফেলতে পারেন। প্রয়োজনে কিছু কাজও গুছিয়ে নিতে পারেন। এতে করে পরের দিনটি চাপের মুখে থাকতে হবে না। যেকোনো কাজে পরিকল্পনা থাকলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

সহকর্মীর সঙ্গে লাঞ্চ করুন

অফিসের মানুষগুলোর সঙ্গে আন্তরিকতা বৃদ্ধিতে এ কাজ করতে পারেন। হাতে ঘণ্টাখানেক সময় থাকলে কোনো সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরের খাবার সেরে আসুন। এতে নানা আলোচনা যেমন হবে, তেমনই কোনো সমস্যা থাকলে মিটিয়ে ফেলতে পারবেন। সময় লাগবে মাত্র এক ঘণ্টা।

দ্য মিউস অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার



মন্তব্য