kalerkantho


‘খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান : প্রাতিষ্ঠানিক সংকট’ শীর্ষক সেমিনার

‘ভেজাল রোধে রেস্তোরাঁগুলো তিন ভাগে চিহ্নিত হচ্ছে’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেস্তোরাঁগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সবুজ চিহ্নিত রেস্তোরাঁ মানে সেখানে সবকিছু ঠিক আছে। হলুদ হলে ধরে নিতে হবে যে কিছু সমস্যা আছে। আর পুরোটাই ভেজালে ভরা এমন রেস্তোরাঁগুলোকে লাল চিহ্নিত করে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সেমিনারে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। ‘খাদ্যে ভেজালবিরোধী অভিযান : প্রাতিষ্ঠানিক সংকট’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল দেশইনফো.কম.বিডি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওয়াচডগ বাংলাদেশ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দেশইনফো.কম.বিডি সম্পাদক রাশেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন নির্বাহী সম্পাদক সাজেদা হক।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুই শতাধিক রেস্তোরাঁ মালিককে দুই মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পরিবর্তন না ঘটলে আমাদের চলমান জরিপ অনুযায়ী তিনটি রঙে চিহ্নিত করে রেস্তোরাঁগুলোকে ভাগ করে দেওয়া হবে। উৎপাদন থেকে প্রক্রিয়াকরণ এবং মোড়ক লাগানো থেকে খাওয়ার টেবিল পর্যন্ত খাদ্যের নিরাপত্তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, খাদ্যে ভেজাল বন্ধে রেস্তোরাঁর মালিকদের পাশাপাশি ক্রেতাদেরও সচেতন হতে হবে। তবেই ২০৪১ সালের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা যাবে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে প্রায় ২৫ লাখ ব্যবসায়ীর ব্যবসায়ের খবর রাখা এই কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। সে জন্য ক্রেতা, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবার কাজে সমন্বয় দরকার। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রেস্টুরেন্টে কর্মরতদের এরই মধ্যে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে শিক্ষিতদের প্রস্তুত করে এই খাতে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা অনলাইনেও প্রশিক্ষণ নিতে পারবে।

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি কমর উদ্দিন বলেন, পরিবেশ নোংরা বলে জরিমানা করা হচ্ছে। অথচ সেই নোংরা পরিবেশের কোনো মাপকাঠি নেই।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন বাংলাদেশ ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পরিচালক লায়ন মো. নূর ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাসুম আবেদিন, বিএসটিআইর সহকারী পরিচালক রিয়াজুল হক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিচার বিভাগের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম।



মন্তব্য