kalerkantho


ধানমণ্ডিতে চার দিনের বনসাই প্রদর্শনী

শেকৃবি প্রতিনিধি   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



ধানমণ্ডিতে চার দিনের বনসাই প্রদর্শনী

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বার্ষিক বনসাই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ বনসাই সোসাইটি। ছবি : কালের কণ্ঠ

শহুরে সৌন্দর্যপ্রেমীদের কাছে বনসাই অতি পরিচিত বৃক্ষ। শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষের তালিকায় এর স্থান প্রথম সারিতে। চীনা উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের হাত ধরে প্রকৃতিতে বনসাইয়ের আগমন হলেও বর্তমানে এর কদর বিশ্বজুড়ে। বৃক্ষকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষায় নির্দিষ্ট প্রজাতির বৃক্ষের চারাকে বিশেষ পরিচর্যায় প্রস্তুত করা হয় বনসাই। এটি আকারে অত্যন্ত ছোট হলেও আকৃতি স্বাভাবিক বড় গাছের মতোই। উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের মতে, একেকটা বনসাই প্রস্তুত করতে সাত থেকে ২০ বছর পর্যন্ত সময় লাগে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরে ডাব্লিউভিএ মিলনায়তনে বনসাই প্রদর্শনীর আয়োজন করে ‘বাংলাদেশ বনসাই সোসাইটি’। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন নাট্যজন আলী যাকের। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান দূতাবাসের সাংস্কৃতিক বিভাগের প্রধান মিস মাচিকো ইয়ামামুরা, অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন।

প্রদর্শনীর পাশাপাশি বনসাই বেচাকেনাও হয়। সৌন্দর্যপ্রেমী শহুরে মানুষকে সবুজের সজীবতা পৌঁছে দিতে এই আয়োজন। মিলনায়তন ঘুরে দেখা যায়, দেশি-বিদেশি ৭০ প্রজাতির এক হাজার বনসাই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৈঁচি, ঘূর্ণি, তমাল, শ্যাওড়া, তুঁত, নিশিন্দার মতো দেশি বনসাই। অতি পরিচিত দেশি গাছের মধ্য রয়েছে বট, পাকুড়, তেঁতুল, হিজল, অর্জুন, কামিনী। দেশি প্রজাতির বনসাইয়ে দর্শনার্থীদের আগ্রহ বেশি বলে জানান আয়োজকরা।

প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের কেউ এসেছে বনসাই কিনতে, কেউ এসেছে দেখতে। দর্শনার্থী আলী রিয়াজ তাঁর ছোট ছেলে আহমেদ রিয়াজকে নিয়ে এসেছেন বনসাই চেনাতে। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ঢাকা শহরের শিশুরা গাছপালা চেনার সুযোগ পায় না। ছেলেকে নিয়ে এসেছি বনসাই চেনাতে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলী যাকের বলেন, বনসাই একটি জাদুকরী শিল্প। দশ আঙুলের পরিচর্যায় ছোট ছোট চারাগুলো বৃক্ষ হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে শিল্পীর একাগ্রতা, মননশীলতা ও পরিশীলিত রুচি আমাদের স্পর্শ করে।



মন্তব্য