kalerkantho


সরেজমিন যাচাইয়ের পরই এমপিওভুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



এমপিও নীতিমালা ২০১৮ অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন করে যোগ্য হলেই হবে না, সরেজমিন যাচাই-বাছাইয়ের পর তথ্যে সঠিকতা থাকলে এরপর দেওয়া হবে এমপিওভুক্তি। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপিওভুক্তির ব্যাপারে অনানুষ্ঠানিকভাবে এই মত ব্যক্ত করেন। আর এই যাচাই-বাছাইয়ের ব্যাপারে সব মন্ত্রী একমত পোষণ করেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্বও পালন করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইনে যেসব তথ্য দিয়েছে তা সঠিক আছে কি না তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা হবে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় তালিকা চূড়ান্ত করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চূড়ান্ত মতামতের পরই তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

জানা যায়, ২০১০ সালে যখন সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করা হয় তখন বেশ বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয়। কারণ অনেক নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানে তেমন একটা শিক্ষার্থী না থাকলেও তারা এমপিও পেয়ে যায়। আবার অনেক যোগ্য প্রতিষ্ঠানও এমপিও থেকে বঞ্চিত হয়। তাই এবারের এমপিওভুক্তিতে যেন কোনো বিতর্ক না হয় সে জন্যই মূলত যাচাই-বাছাইয়ের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান করলে ছয় হাজার ১৪১ প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্যে এক হাজার ৫৩৭ প্রতিষ্ঠান এমপিও পাওয়ার যোগ্য বলে চিহ্নিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত কমিটি।

এক হাজার ৯৬৭ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভুক্তির আবেদন করেছিল, তাদের মধ্যে যোগ্য ৫৭৯ স্কুল। দুই হাজার ৭৩৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আবেদনের মধ্যে ৭৬৪টি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যেসব স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাধ্যমিক এমপিওভুক্ত কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিক এমপিওভুক্ত নয় এমন ৩৩৫টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। তাদের মধ্যে এমপিওভুক্তির যোগ্য ৬৬ প্রতিষ্ঠান। শুধু উচ্চমাধ্যমিক কলেজ আবেদন করেছে ৫৪৫টি। এর মধ্যে এমপিওভুক্তির যোগ্য ৮৫টি। সব মিলিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্তির যোগ্য ১২১টি কলেজ। আর ৫৫৪টি ডিগ্রি কলেজ এমপিওভুক্তির আবেদন করেছিল, তাদের মধ্যে যোগ্য ৪৩ কলেজ।



মন্তব্য