kalerkantho


লাশ উদ্ধারের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার!

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



যশোর সিটি কলেজের ডোবা থেকে পুলিশ এক নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধারের পর তা অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে দাফন করে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম। কিন্তু খবর পেয়ে ওই দিনই রাতেই এক ব্যক্তি দাবি করেন, এই লাশ তাঁর মেয়ে সাথী খাতুনের (২৫)। এর পর থেকে পুলিশ সাথী খাতুন হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নামে। তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে সাথী মারা যাননি। যে লাশটি দাফন করা হয়েছে, সেটি অন্য কোনো নারীর মৃতদেহ। গত শনিবার রাতে যশোর থানা পুলিশ সাথী খাতুন হিসেবে দাফনের ১১ দিন পর তাঁকে জীবিত উদ্ধার করেছে। তাঁকে যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নের জলকর গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

জীবিত উদ্ধার হওয়া সাথী খাতুন যশোরের চৌগাছা উপজেলার নাইড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের মেয়ে। তিনি একই উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার স্ত্রী। পুলিশের কাছে সাথী দাবি করেছেন, তিনি স্বামীর ওপর রাগ করে পালিয়ে জলকর গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তবে পুলিশ বলছে, সাথী প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে ওই গ্রামে যান। এরই মধ্যে তিনি পাসপোর্ট পরিবর্তন করে ভারত সফরও করেছেন। পুলিশের ভাষ্য, সাথী ধূর্ত।

 



মন্তব্য