kalerkantho


চাঁদাবাজির মামলা

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব কারাগারে

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শনিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

চাঁদাবাজির একটি মামলায় এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মোজাম্মেলকে গতকাল আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজধানীর মিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বজলুর রহমান। রিমান্ড প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে আটক রাখার প্রার্থনা জানিয়ে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

গতকালও মোজাম্মেলের আইনজীবী তাঁর জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাঁর জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

সড়ক-মহাসড়কে পরিবহন দুর্ঘটনা ও নৈরাজ্য রোধে কাজ করে আসা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার নিজ বাসা থেকে গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৩টার দিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে মিরপুর মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়। শাহআলী থানার গুদারাঘাটের বাসিন্দা ও মিরপুর রোড শ্রমিক কমিটির সড়ক সম্পাদক মো. দুলালের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১০-১৫ দিন ধরে মোজাম্মেল হক চৌধুরী নিজেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের নেতা দাবি করে মিরপুর রোড শ্রমিক কমিটির কাছ থেকে প্রতি মাসে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন।

স্রোতার উদ্বেগ

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে গ্রেপ্তারে উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে সেফ রোডস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অ্যালায়েন্স (স্রোতা)। গতকাল শনিবার সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মোজাম্মেলের নিঃশর্তে মুক্তি দাবি করা হয়। স্রোতার আহ্বায়ক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ঈদুল আজহার ছুটিতে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণহানি নিয়ে বেশ সরব ছিলেন মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

 



মন্তব্য