kalerkantho


যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব গ্রেপ্তার, রিমান্ডে

বাদীর তথ্য অজ্ঞাত!

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব গ্রেপ্তার, রিমান্ডে

চাঁদাবাজির মামলায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার নিজ বাসা থেকে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মোজাম্মেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে মিরপুর মডেল থানায় সোপর্দ করা হলে শাহআলী থানার গুদারাঘাটের বাসিন্দা ও মিরপুর রোড শ্রমিক কমিটির সড়ক সম্পাদক মো. দুলালের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার মোজাম্মেলকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে রিমান্ডের জন্য। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে রিমান্ড মঞ্জুর করলে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বাদীর বাবার নাম ও ঠিকানা পর্যন্ত এজাহারে নেই। এ মামলায় রিমান্ডে দেওয়া জুডিশিয়ারির জন্য লজ্জাজনক।’ এ সময় আদালত উপস্থিত আসামির স্ত্রী রিজু আক্তার চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মানুষের কল্যাণে যে মানুষটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন তিনি চাঁদাবাজ?’ তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী ১২ বছর ধরে যাত্রী অধিকার রক্ষায় আন্দোলন করছেন। তিনি যাত্রীর স্বার্থে কাজ করছেন। নিজের স্বার্থে কিছু করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাটি ষড়যন্ত্র—যাতে পরিবহন শ্রমিকরা অরাজকতা চালাতে পারে।’

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ১০-১৫ দিন ধরে মোজাম্মেল হক চৌধুরী নিজেকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহনের নেতা দাবি করে মিরপুর রোড শ্রমিক কমিটির কাছে মাসে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন। চাঁদা না পেলে তিনি গণমাধ্যমে খারাপ প্রতিবেদন প্রকাশ করারও হুমকি দেন। এরপর গত ৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর সনি সিনেমা হলের সামনে বাদীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেন মোজাম্মেল।

গতকাল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বজলুর রহমান মোজাম্মেলকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চান। অন্যদিকে মোজাম্মেলের জামিন আবেদন করেন আইনজীবীরা।

শুনানির সময় মোজাম্মেল হকের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, মামলার এজাহারে আসামির পিতার নাম ও ঠিকানা অজ্ঞাত। অথচ গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে তাঁকে আটক করে নিয়ে আসা হয়।

 

 



মন্তব্য