kalerkantho


ওয়াশিংটনে টিকফা বৈঠক ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর

জিএসপি নয় পোশাকের যথার্থ দাম চাইবে ঢাকা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



জিএসপি নয় পোশাকের যথার্থ দাম চাইবে ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ‘অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা’ (জিএসপি) ফেরত নয়, বরং পোশাক পণ্যের যথার্থ দাম ও বড় বিনিয়োগ চাইবে বাংলাদেশ। আগামী ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চতুর্থ টিকফা বৈঠকের প্রাক্কালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ফোরাম চুক্তির (টিকফা) আওতায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বৈঠকে তাঁর দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।

জানা গেছে, আসন্ন টিকফা বৈঠকের প্রস্তুতি হিসেবে সম্প্রতি ঢাকায় বেশ কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। টিকফা বৈঠকে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বড় বিনিয়োগ চাইবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ তার তৈরি পোশাক পণ্যের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাম নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানাবে।

তবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আর জিএসপি সুবিধা ফেরত চাইবে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা স্থগিত করার পর তা আবারও ফিরে পাওয়ার জন্য যেসব শর্ত দিয়েছিল সেগুলো এরই মধ্যে পূরণ হয়েছে বলে ঢাকা মনে করে। এর পরও যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি ফেরত না দেওয়ার বিষয়টিকে ওই দেশের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছে বাংলাদেশ।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তরের এশিয়াবিষয়ক কার্যালয়ের নির্বাহী জেমস গোল্ডেন গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ওই সাক্ষাতের পর মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, জিএসপি নিয়ে তাঁদের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি। বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধার আর দরকার নেই। জিএসপি সুবিধা ছাড়াই বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রতিযোগিতা করছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আর জিএসপি সুবিধা চাইবে না; যুক্তরাষ্ট্র দিতে চাইলে দেবে। তবে এর আর প্রয়োজন আছে বলে বাংলাদেশ মনে করে না।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে পোশাক কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় তুলার উৎস হতে চায়। বর্তমানে বাংলাদেশে তুলা আসে ভারতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে। যুক্তরাষ্ট্র এখানে নিজের সম্ভাবনা দেখছে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে তুলা রপ্তানির সুযোগ চাইতে পারে।

 

 

 



মন্তব্য