kalerkantho


নগরকান্দায় স্কুল শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



নগরকান্দা উপজেলায় এস এম ফারুক হোসেন নামের একজন সিনিয়র সহকারী শিক্ষক লাঞ্ছিত হয়েছেন। ঈশ্বরদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালেহা বেগমের ছেলে দিদারুল ইসলাম দীপু কথা-কাটাকাটির জেরে এ ঘটনা ঘটান বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করায় শিক্ষক ফারুককে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, ঈশ্বরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গত ৩০ আগস্ট  একটি ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। আয়োজক কমিটির সদস্য দিদারুল ইসলাম দীপু এ জন্য শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করেন। শিক্ষকরা ১০০ টাকা করে দিতে চাইলে দীপু ক্ষুব্ধ হন। খারাপ আচরণ করেন অনেকের সঙ্গে। শিক্ষক ফারুক হোসেন ৩০০ টাকা দিলে তা নিয়ে দীপু রেগে যান। তর্কের একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন শিক্ষককে। অন্যরা তাঁকে উদ্ধার করে।

মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শিক্ষক ফারুক ঘটনার প্রতিকার দাবি করে থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। এ অবস্থায় হুমকির মুখে তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমি এক হাজার টাকার নোট দিলে, দীপু ৩০০ টাকা না রেখে পুরোটাই নিয়ে নেয়। বাকি টাকা ফেরত চাইলে লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে।’

স্কুলটির প্রধান শিক্ষক সালেহা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে দীপুর সঙ্গে শিক্ষক ফারুক হোসেনের ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল। সে ঘটনা মিটে গেছে।’

নগরকান্দা উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মানোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলনে যেতে হবে। ঘটনাটি নিন্দাজনক।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  শিবুপদ দে বলেন, ‘চাঁদা না দেওয়ায় একজন শিক্ষককে স্কুলের ভেতরে মারধর করার ঘটনা দুঃখজনক। বিষয়টি জেনেছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

 



মন্তব্য