kalerkantho


শ্রীনগরে তরুণীর লাশ

রক্তের দাগ ও পরকীয়া সামনে রেখে তদন্ত এগোচ্ছে

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে তরুণীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে। গত শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বাড়ৈখালী বাজারের চাঁন সুপার মার্কেটের নিচ থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লিমা আক্তার লিমু (১৮) নামে ওই তরুণীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ দোকানে রক্তের দাগ ও পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ককে সামনে রেখে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চাঁন মার্কেটের দর্জি ঘর নামে কাপড়ের দোকানে রক্তের দাগ দেখে ওই দোকানের মালিক খোকনকে (৩৫) মামলায় আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে খোকন পলাতক রয়েছে।

বাড়ৈখালী বাজারের একাধিক দোকানদার জানান, লিমু প্রায় সময়ই ওই দোকানে যাতায়াত করত। ধারণা করা হচ্ছে তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জের ধরে লিমুকে খুন করা হতে পারে। খোকনের বাড়ি সিরাজদিখান উপজেলার পাউসার গ্রামে। তার দুই সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে লিমুর মা মারা যাওয়ায় বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। লিমু স্থানীয় বাড়ৈখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খোকনের ভাই লিটন, সুজনসহ দোকানের দুই কর্মচারীকে আটক করেছে। এ ঘটনায় লিমুর বাবা বাড়ৈখালী গ্রামের আব্দুল মতিন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

পাঁচ দিন আগে লিমু কাপড় কেনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের তিন দিন পর লিমুর বাবা বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। এর পরদিন হাত-পা বাঁধা অবস্থায় লিমুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীনগর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান, মামলার আসামি খোকনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে।

 



মন্তব্য