kalerkantho

ধর্মপাশায় প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা কেড়ে নিল ইউপি সদস্য!

হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভাতা বাবদ জমা হওয়া টাকা তুলতে ব্যাংকে গিয়েছিলেন প্রতিবন্ধী সেলিম মিয়া। এক বছরের পাওনা হিসেবে তিনি উত্তোলন করেন সাড়ে ১৫ হাজার টাকা। বিপত্তি ঘটল বাড়ি ফেরার পথে। স্থানীয় ইউপি সদস্য হক্কু মিয়া ভাগ চাইলেন। কেড়ে নেন সাড়ে চার হাজার টাকা। সম্প্রতি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হক্কু মিয়া উপজেলার সুখাইড়-রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। আর সেলিম ওই ওয়ার্ডের ঘুলুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম জামির খাঁ।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সেলিম মিয়া। অভিযোগে বলা হয়, এক বছর আগে অসচ্ছল প্রতিবন্ধীর তালিকায় সেলিমের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন ইউপি সদস্য হক্কু মিয়া। গত ১৯ আগস্ট দুপুরে ধর্মপাশা শাখা সোনালী ব্যাংক থেকে ভাতা বাবদ সাড়ে ১৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন সেলিম। পরে অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে বাহুটিয়া গ্রামে কাছে হক্কু ওই অটোরিকশার গতিরোধ করেন। এ সময় সেলিমের কাছ থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা কেড়ে নেন হক্কু। বিষয়টি কাউকে জানালে অসচ্ছল প্রতিবন্ধীর তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. হক্কু মিয়া বলেন, ‘আমি সেলিমের কাছ থেকে জোর করে কোনো টাকা নিইনি। তবে সেলিম খরচ করার জন্য আমাকে খুশি হয়ে আড়াই হাজার টাকা দিয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কান্তি চক্রবর্ত্তী বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অভিযোগটি থানার ওসির কাছে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য