kalerkantho

পেশাজীবনে পরিচিতি বাড়াতে...

২০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পেশাজীবনে পরিচিতি বাড়াতে...

ব্যবসায় সফলতার অনেকটাই নির্ভর করে সম্পর্কের ওপর। কর্মক্ষেত্রে যাকে বলে ‘নেটওয়ার্কিং’। বিশেষজ্ঞদের মতে, যার নেটওয়ার্কিং যত ভালো, পেশাজীবনে তার সফলতার হার তত বেশি। নেটওয়ার্কিং স্থাপনের কৌশল নিয়েই আজকের টিপস—

‘নেটওয়ার্ক’ গড়ুন জাদুঘরের মতো

পেশাজগতে পরিচিত জগেক জাদুঘরের মতো সাজিয়ে রাখতে হয়। বহু মূল্যের জিনিসপত্রের মতো তার তদারকি করতে হবে। আর আপনিই সেই জাদুঘরের কিউরেটর। যাদের সঙ্গে বিজনেস কার্ডের লেনদেন হয়েছে, তারাই আপনার ভবিষ্যতের বিভিন্ন সুযোগের উৎস। এসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বড় ধরনের বাণিজ্য ঘটে যাওয়া মোটেও বিচিত্র নয়। তাদের মুখোমুখি হোন। আলোচনায় বসুন। সম্পর্কের দিকটা দেখভাল করুন। খুব দ্রুত ভালো ফলাফল মিলবে।

অধ্যবসায় করুন

কারো সঙ্গে মিটিংটা যত ছোটই হোক না কেন, এর জন্যে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রাখুন। এমনকি কফির টেবিলে আলাপচারিতাকেও গুরুত্বের সঙ্গে নেবেন। কোন্ বিষয়ে আলোচনা হবে বা হতে পারে, তা চিন্তা করে হোমওয়ার্কের কাজটা সেরে ফেলুন। সব ধরনের কাজে অধ্যবসায়ী হবেন। আর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। এসব কথা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। যার সঙ্গে সম্ভাবনাময় সম্পর্কের শুরু হতে পারে, তাদের বিষয়ে আগ্রহ থাকতে হবে। তাদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করুন। ইন্টারনেটে ঢুঁ মারতে পারেন। সেই কম্পানির কাজ, লক্ষ্য, বিস্তৃতি ইত্যাদি জানলে আলাপ চালিয়ে যেতে সুবিধা হবে। সেখানে পূর্বপরিচিত কেউ আছে কি না খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন।

উপকার করুন

নেটওয়ার্কিংয়ের কাজটা সুষমভাবে সম্পন্ন করতে আরো বেশি কিছু করার মানসিকতা থাকতে হবে আপনার। নিজের দক্ষতা ও মেধাকে কাজে লাগাতে হবে। সম্পর্কের মাত্রা বুঝতে হবে। উচ্চপর্যায়ের সম্পর্ক থেকে নিম্ন পর্যায় আলাদা করতে হবে। গুরুত্ব অনুযায়ী সেই সম্পর্কের পরিচর্যা করবেন। যোগাযোগটা যেন সব সময় ফলপ্রসূ হয় সেদিকে খেয়াল দিতে হবে। যদি সুযোগ ও সাধ্য থাকে তো সদ্য পরিচয় হওয়া কারো উপকার করুন।

দ্য মিউস অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার

 

মন্তব্য