kalerkantho


‘বোমা মিজান’ ভারতে চারটি ডাকাতি করে

কলকাতা প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



ভারতে পালিয়ে থেকে জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য কাওসার ওরফে ‘বোমা মিজান’ দেশটির বেঙ্গালুরুতে চারটি ডাকাতির নেতৃত্ব দিয়েছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সির (এনআইএ) সূত্রের দেওয়া এ খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এসেছে।

এনআইএর সূত্র জানিয়েছে, বেঙ্গালুরুতে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি বোমা মিজান জেরার সময় স্বীকার করেছে। ‘কাওসার জানিয়েছে, চারটি ডাকাতির মাধ্যমে তার দল টাকা, সোনা ও ল্যাপটপ মিলিয়ে ১৮ থেকে ১৯ লাখ টাকা ডাকাতি করেছে।’ বলেছে এনআইএর সূত্রটি।

বোমা মিজানকে এনআইএ গত সপ্তাহে বেঙ্গালুরুর রামনগর অঞ্চল থেকে গ্রেপ্তার করে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জেএমবির যে শাখা গড়ে ওঠে তার হোতা ছিল মিজান। সে বর্ধমানের অদূরে খাগড়াগড়ে বোমা তৈরির একটি কারখানা বানায়। সে কারখানায় ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে এবং তখন পশ্চিমবঙ্গে জেএমবির তৎপরতার বিষয়টি সামনে আসে। এ বছরের শুরুতে বুদ্ধগয়ায় দালাই

লামার এক অনুষ্ঠানে বিস্ফোরণ ঘটানোর সঙ্গে জড়িত ছিল সে।

ডাকাতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার কারণ সম্পর্কে বোমা মিজান গোয়েন্দাদের জানিয়েছে, অর্থ সংগ্রহ করে জেএমবিকে চাঙ্গা করাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।

বোমা মিজানের দেওয়া এই তথ্যের পর এনআইএর গোয়েন্দারা বেঙ্গালুরু পুলিশের রেকর্ড ঘেঁটে দেখেন, প্রথম ডাকাতির ঘটনা ঘটে এ বছরের মার্চের ২০ তারিখে। পরবর্তী ডাকাতির ঘটনা ঘটে ২, ৭ ও ১৫ এপ্রিল। সূত্র জানিয়েছে, বেশির ভাগ ডাকাতির ঘটনা বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রনিকস সিটি কমপ্লেক্সের আশপাশে সংঘটিত হয়। এসব ডাকাতিতে বোমা মিজানের সঙ্গে ছিল হাবিবুর, আরিফসহ একটি দল। হাবিবুর ও আরিফও বাংলাদেশের নাগরিক এবং তাদের খোঁজে বেঙ্গালুরুর আশপাশে তল্লাশি চলছে। এনআইএ সূত্র বলেছে, ‘স্থানীয় কিছু মানুষও দলটির সঙ্গে ছিল, না হলে ডাকাতি করা সম্ভব নয়। তাদের খোঁজা হচ্ছে।’

 



মন্তব্য