kalerkantho


পোস্ট অফিসের কাজ মাস্টারের বাড়িতে!

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



ঝালকাঠি সদরের পোনাবালিয়া ইউনিয়ন পোস্ট অফিসের কার্যক্রম চলছে ১০ কিলোমিটার দূরে নলছিটির কুলকাঠি ইউনিয়নে পোস্ট-মাস্টারের বাড়িতে। এ অবস্থায় চিঠি, পোস্টাল অর্ডার, রেভিনিউ ক্রয় ও টাকা আদান-প্রদান কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে পোনাবালিয়া ইউনিয়নবাসী। প্রবাসীরাও সময়মতো স্বজনদের কাছে বার্তা পৌঁছাতে পারছে না। তা ছাড়া পোনাবালিয়া পোস্ট অফিসের পোস্ট-মাস্টার মাকসুদা বেগমের বিরুদ্ধে আছে একাধিক অভিযোগ। তিনি অফিসের সব উপকরণ বাড়িতে নিয়ে ব্যবহার করছেন বলে জানা গেছে।

জানা যায়, পোনাবালিয়া পোস্ট অফিসের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল আবদুল জলিল আকনের টিনের জরাজীর্ণ মুদি দোকানঘরে। আর অফিসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল জলিলকে। সে সময় কোনোরকম সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ও বাক্স রেখেই দায় সেরেছিল কর্তৃপক্ষ। পোস্ট-মাস্টার হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেন জলিল। তাঁর মৃত্যুর পর পোস্ট-মাস্টার হিসেবে মেয়ে মাকসুদা বেগমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিছুুদিন জরাজীর্ণ দোকানঘরে কার্যক্রম চলার পর মাকসুদার বিরুদ্ধে দায়িত্বহীনতার অভিযোগ ওঠে। তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। মাঝেমধ্যে সকালে এসে দুই থেকে এক ঘণ্টা থেকেই বাড়িতে চলে যান। ২০১৬ সালে পোস্ট অফিসে ল্যাপটপ, প্রিন্টারসহ ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া হলেও তা ব্যবহার করা হচ্ছে না। পোস্ট-মাস্টার এসব প্রযুক্তি তাঁর বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলেও অভিযোগ আছে। পোস্ট অফিসটি পোনাবালিয়া গ্রামে থাকলেও এখন পোস্ট-মাস্টার পাশের উপজেলা নলছিটির কুলকাঠি ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে বসে অফিশিয়াল কাজ করেন।

বরিশাল উপবিভাগীয় পোস্ট অফিস পরিদর্শক মোশারেফ হোসেন বলেন, ‘পোনাবালিয়া ইউনিয়নের পোস্ট অফিসটি জরাজীর্ণ। এখানের সাইনবোর্ড ও বাক্স চুরি হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।’

 

 



মন্তব্য