kalerkantho


আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক

প্রমাণ পেলে এমপি বদিকেও ছাড়া হবে না : আমু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



মাদক-সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেলে কক্সবাজারের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকেও ছাড়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি আরো বলেছেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং নাশকতার লক্ষ্যে যারা ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে তাদের ব্যাপারেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন আমু এসব কথা বলেন। আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে বৈঠকটি সকাল ১১টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে। বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি ছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আমির হোসেন আমু।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার কারণে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। খুন, ধর্ষণসহ সব ধরনের অপরাধ কমে আসছে। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাগুলোর ৮০ শতাংশেরই রহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে।’

সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন আমু বলেন, মাদক কারবারের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাকুক ছাড় পাবে না। প্রমাণ পেলে তাঁকেও ছাড়া হবে না।’

আমু বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে ২৫ হাজার ৫৭৫টি মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছে ৩৭ হাজার ২২৫ জন। শুধু মাদক বহনকারীদের নয়; মাদক সরবরাহকারী, অর্থলগ্নিকারী এবং সিন্ডিকেট সদস্যদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের কারাগারগুলোতে ৮৯ হাজার ৫৮৯ জন বন্দি রয়েছে। এদের মধ্যে ৪২ শতাংশই মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে।’

আমির হোসেন আমু বলেন, ‘মাদক পাচার প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তার পরও মিয়ানমার সীমান্তসহ যেসব পথে মাদক আসে, সেসব পথে মাদক আসা প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গে অন্যান্য সংস্থাও সমন্বিতভাবে কাজ করবে। আজকের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

রাজশাহীতে মঙ্গলবার বিএনপির মেয়র প্রার্থীর মিছিলে ককটেল হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করলে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন সামনে রেখে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে। তবে সরকার বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী পদক্ষেপ নিয়েছে সেটাই দেখার বিষয়। গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। আসন্ন তিন সিটির নির্বাচনও যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয় সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকবে।’



মন্তব্য