kalerkantho


দুমকি থানার পুলিশের কাণ্ড

মাদকসহ আটক ৪ আদালতে চালান ১

পটুয়াখালী প্রতিনিধি   

১৮ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ফেরিঘাট থেকে মাদকসহ চার যুবককে আটক করলেও রহস্যজনক কারণে দুই যুবককে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। আটককৃতদের মধ্য সাইমুন রহমান বাপ্পী পটুয়াখালী শহরের কলেজছাত্র মাহাবুব হত্যার এজাহারভুক্ত আসামি। সোমবার রাতে দুমকি থানায় কর্মরত সহকারী উপপরির্দশক (এএসআই) সৈয়দ আবুল কালাম আজাদসহ পুলিশের একটি দল ওই চারজনকে মাদকসহ আটক করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার সময় লেবুখালী ফেরিঘাট থেকে একটি মাইক্রোবাস ফেরিতে উঠতে গিয়ে পন্টুনে আটকা পড়ে। ওই সময় ফেরিঘাটে কর্মরত দুমকি থানা পুলিশের এএসআই সৈয়দ আবুল কালাম আজাদসহ অন্য পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হলে মাইক্রোবাস ও ও মাইক্রো যাত্রীদের দেহ তল্লাশি চালায় পুলিশ। তখন বাপ্পীসহ তার সাঙ্গোপাঙ্গরা মাইক্রোতে কেউ গাঁজা, কেউ ইয়াবা সেবন করছিল। পুলিশ ওই সময় বাপ্পী, তার তিন সহযোগীসহ ড্রাইভারকে আটক করে। বাপ্পীর বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় মাদক মামলাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আটকের পর পুলিশ তাদের লেবুখালী ফেরিঘাটের পুলিশ বক্সে নিয়ে গেলে শত শত উত্সুক জনতা ভিড় জমায়। একপর্যায়ে পুলিশ আটককৃতদের নিয়ে দুমকি থানার উদ্দেশে রওনা হয়। কিন্তু পথিমধ্যে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে (পাগলার মোড়) গিয়ে পুলিশ দুজনকে ছেড়ে দেয়। থানায় নিয়ে বাপ্পীকে রেখে ড্রাইভারকেও ছেড়ে দেয়। এদিকে কী পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে, সে ব্যাপারেও কোনো তথ্য সাংবাদিকদের দেয়নি পুলিশ।  

এ ব্যাপারে দুমকি থানার ওসি (তদন্ত) বলেন, ‘চারজনকে আটক করা হয়েছিল। পথিমধ্যে দুজন পালিয়ে গেছে।’ কিভাবে পালিয়েছে, এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, ‘বিষয়টি আমিও বুঝতে পারছি না।’ পালানো দুই যুবকের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের পরিচয় জানা হয়নি।’ পুলিশের এএসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘চারজনকে আটক করা হয়েছে; কিন্তু দুজন মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিল না। তাই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’ ছেড়ে দেওয়া দুজনের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আপনি ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলেন। আমি তাদের থানায় দিয়ে অন্য কাজে চলে যাই। আমি তাঁর অনুমতি ছাড়া কিছুই বলতে পারব না।’



মন্তব্য