kalerkantho


ওবায়দুল কাদের বললেন

গণতন্ত্র আছে বলেই অগণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলতে পারছে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশে যদি গণতন্ত্র না থাকত, তাহলে বিএনপি নেতারা প্রকাশ্যে অগণতান্ত্রিক, অশ্রাব্য ভাষায় শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারকে গালাগাল করতে পারতেন না। গণতন্ত্র আছে বলেই বিএনপি অগণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলতে পারছে। এসব অশ্রাব্য মিথ্যাচার করার পরও তাদের পল্টন অফিসের সংবাদ সম্মেলন বন্ধ করা হয়নি, পুলিশ হস্তক্ষেপ করেনি। তিনি গতকাল বিকেলে মহানগর নাট্যমঞ্চে যুবলীগের এক আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে যুবলীগ এ আলোচনাসভার আয়োজন করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নেতারা যেখানে ইচ্ছা বক্তব্য দিচ্ছেন। সরকারের বিরুদ্ধে অগণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলেও তাঁরা বলছেন দেশে গণতন্ত্র নেই। টক শোতে গিয়ে তাঁদের নেতারা যে ভাষা ব্যবহার করেন, এখানে আমরা বিরোধী দলে থাকলে টক শো করার পর তাঁরা রাস্তায় আটকাতেন। আমরা তা পারি না। তাঁরা স্বাধীনভাবে কথা বলছেন। তার পরও তাঁরা বলছেন দেশে গণতন্ত্র নেই।’

যুবলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনীতিতে লেগে থাকুন, পরিশ্রম করুন, দলের জন্য কষ্ট করুন, ত্যাগ করুন, তা বৃথা যাবে না। শেখ হাসিনা যত দিন আছেন ত্যাগী কর্মীদেরও তত দিন মূল্যায়ন আছে। কেউ দুই দিন আগে পাই, কেউ দুই দিন পরে পাই। এতে হতাশা কাউকে যাতে না পেয়ে বসে। আমাকে দিয়েই চিন্তা করুন। আমি জেল খেটেছি, ত্যাগ করেছি তার মূল্যায়ন তিনি করেছেন। শেখ হাসিনা একজন উদারচিত্তের নেতা। তিনি না থাকলে আমি দলের সাধারণ সম্পাদক হতাম কি না জানা নেই। শেখ হাসিনা থাকলে এ দলে মূল্যায়ন হবে।’ জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী যুবলীগ নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সব জনমত জরিপ শেখ হাসিনার কাছে জমা আছে। আপনাদের মধ্যে কেউ যদি নির্বাচনের জেতার মতো যোগ্যতা অর্জন করলে বঞ্চিত হবেন না। আজকে আমার অনেক প্রশংসা করা হচ্ছে। এর মূল্যায়ন হবে আগমী নির্বাচনে, যদি আওয়ামী লীগ না জিততে পারে, তাহলে আজকের সব প্রশংসা গালিতে পরিণত হবে। যারা আজ প্রশংসা করছে তারা তখন বলবে ব্যর্থ সাধারণ সম্পাদক। জাতীয় নির্বাচনে জিতলেই কেবল সফল সাধারণ সম্পাদক হতে পারব।’

আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। বক্তব্য দেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শহীদ সেরনিবায়াত, মুজিবুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

 



মন্তব্য