kalerkantho


লিটনের প্রচার বহর বাড়ছেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

১৭ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



রাজশাহী সিটি নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, আওয়ামী লীগ মনোনীত ও মহাজোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের প্রচারণার বহর ততই বাড়ছে। আওয়ামী লীগ ও দলটির বিভিন্ন সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন থেকে শুরু করে সামাজিক ও পেশাজীবী বিভিন্ন সংগঠন মিলিয়ে শতাধিক সংগঠন মাঠে নেমেছে। প্রচারে নেমেছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতারাও। দলীয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

লিটনের প্রতীক নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিদিন লিফলেট হাতে নগরের এ মাথা থেকে ও মাথা ছুটে বেড়াচ্ছে হাজার হাজার নেতাকর্মী। তারা বাড়ি বাড়ি, বিভিন্ন মোড়ে, রাস্তার পাশে, নদীর ধারে, চা-স্টলে, অফিস-আদালতে গিয়ে সাধারণ ভোটারদের কাছে লিটনের জন্য ভোট প্রার্থনা করছে। ফলে প্রচারের দিক থেকে অনেকটায় এগিয়ে গেছেন লিটন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা গত কয়েক দিন ধরে লিটনের পক্ষে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে বর্তমানে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য আহসানুল হক পিন্টু বলেন, ‘রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য লিটনের কোনো বিকল্প নেই। তাঁকে বিজয়ী করতে না পারলে এ নগরীর উন্নয়ন থমকে যাবে।’

‘রাজশাহীস্থ বাগমারাবাসী’ নামের একটি সংগঠন লিটনের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। বাগমারার সংসদ সদস্য এনামুল হকের নির্দেশনায় সংগঠনটি প্রচারে অংশ নিয়েছে। সংগঠনের অন্যতম সদস্য নুরুল আমিন সাকিল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাজশাহীর উন্নয়ন গত পাঁচ বছরে থমকে ছিল। এখান থেকে পরিত্রাণ চায় নগরবাসী। রাজশাহী নগরীর উন্নয়ন হলে গোটা রাজশাহীই ঘুরে দাঁড়াবে। এই অবস্থায় লিটনকে মেয়র নির্বাচিত করা দরকার।’

রাজশাহীর ব্যবসায়ী নেতা সেকেন্দার আলী বলেন, ‘রাজশাহীর উন্নয়নের জন্য লিটনকে আবারও দরকার। এটি বিবেচনা করেই দল-মত-নির্বিশেষে লিটনকে বিজয়ী করতে আমরা ব্যবসায়ীরা বিভিন্নভাবে তাঁর প্রচারণা চালাচ্ছি।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) রাজশাহীর সভাপতি জামাত খানও একই মন্তব্য করে বলেন, ‘লিটন মেয়র থাকাকালে রাজশাহীর যেসব বৃহৎ প্রকল্প তিনি হাতে নিয়েছিলেন, সেগুলো গত পাঁচ বছরে বাস্তবায়ন হয়নি। লিটন ছাড়া এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভবও নয়।’ আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটন গতকাল সকালে নগরের বনপুকুর এলাকা থেকে দিনের গণসংযোগ শুরু করেন। এরপর কাদিরগঞ্জ, কাদিরগঞ্জ গ্রেটার রোড এলাকা, দড়িখরবনা ও নিউ মার্কেট এলাকায় দুপুর পর্যন্ত গণসংযোগ করেন তিনি।

এ সময় লিটন বলেন, ‘আমরা যে অভিযোগগুলো দিচ্ছি, সেগুলো একদম সত্য। আমরা এখনো আশা করি তাদের (বিএনপির) সুবুদ্ধির উদয় হবে। নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রেখে নির্বাচন করবে। আমরাও নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখব। তারা (বিএনপি) কী করবে জানি না। কারণ তাদের সঙ্গে তো জামায়াত-শিবির আছে।’

 

 

 



মন্তব্য