kalerkantho


চুনারুঘাট ও সালথায় দুই শ্রমিককে ধর্ষণ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও ফরিদপুরের সালথায় দুই শ্রমিককে ধর্ষণ করা হয়েছে। এদিকে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ফরিদপুরের সদরপুরে ধরা পড়েছে এক ধর্ষক। এ ব্যাপারে আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

হবিগঞ্জ : চুনারুঘাটে এক শ্রমিককে ধর্ষণ করেছে দুই যুবক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, গত শনিবার দুপুরে ওই শ্রমিক কারখানায় যাওয়ার পথে সদর উপজেলার ধুলিয়াখাল থেকে দুই যুবক তাকে জোর করে একটি অটোরিকশায় তুলে চুনারুঘাট নিয়ে যায়। পরে একটি পার্কে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। বিষয়টি জানতে পেরে হাসপাতাল এলাকা থেকে পুলিশ বাহুবলের বিহারীপুর গ্রামের রজব আলীর ছেলে মামুন মিয়াকে আটক করে। হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি ইয়াছিনুল হক জানান, মামুন মিয়া নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। আরেক যুবককে আটকের চেষ্টা চলছে।

ফরিদপুর : সালথায় এক পাটকল শ্রমিককে (২৮) ধর্ষণ করা হয়েছে।  স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর ওই শ্রমিক তিন সন্তান নিয়ে নিজের মায়ের কাছে থাকতেন। স্থানীয় লোকজন জানায়, গত শুক্রবার ওই পাটকল বন্ধ ছিল। তিনি সকালে বাসা থেকে বের হন। পরে তাঁকে একটি পাটক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই নারী জানান, পাটক্ষেতে নিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তি তাঁকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। সালথা ওসি দেলোয়ার হোসেন খান জানান, গত শনিবার রাতে ওই নারী ধর্ষণের অভিযোগে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। ওই নারীকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে সদরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় এ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে উপজেলার চৌদ্দরশি গ্রামে অভিযান চালিয়ে এক বাড়ি থেকে  মামলার একমাত্র আসামি মুক্তার শিকদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত শনিবার দুপুরে মুক্তার শিকদার চৌদ্দরশি গ্রামে ওই শিশুকে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে ওই শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গত শনিবার রাতে মুক্তার শিকদারকে আসামি করে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেন। সদরপুর থানার পরিদর্শক  (তদন্ত) সুব্রত গোলদার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুক্তার এ ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।



মন্তব্য