kalerkantho


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

২৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০



ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গতকাল ছিল তীব্র যানজট। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে গতকাল শুক্রবার তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী মানুষের ঢল নামায় মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে মির্জাপুরের কুরণী পর্যন্ত এ যানজট দিনভর স্থায়ী হয়।

হাইওয়ে পুলিশ ও পরিবহন চালকরা জানায়, ঈদের ছুটি শেষে মানুষ কর্মস্থলমুখী হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে মহাসড়কে যান চলাচল বেশ বেড়ে যায়। গতকাল ভোর থেকে গাড়ির চাপ আরো বেড়ে গেলে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়। দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় ঢাকাগামী যান আটকা পড়লে যানজট স্থায়ী হয়। একপর্যায়ে যানজট মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে মির্জাপুর উপজেলার কুরণী এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী গাড়িগুলো অনেকটা স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করছে। মহাসড়কের অনেক গাড়ি যানজট এড়াতে মির্জাপুরের পুরনো বাসস্ট্যান্ড সড়কে ঢুকলে সেখানেও যানজট দেখা দেয়। তা ছাড়া মির্জাপুরের ধেরুয়া লেভেলক্রসিংয়ের ট্রেন সিগনালের উভয় পাশে বিপুলসংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ায় যানজট তীব্র হয়।

সিরাজগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সরকার এন্টারপ্রাইজ পরিবহনের চালক আবুল হোসেন বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জ থেকে যাত্রা করেছি। দুপুর ১২টার দিকে কুরণী এলাকায় এসে যানজটে আটকা পড়েছি। এরপর এক ঘণ্টায় মির্জাপুর বাইপাস পর্যন্ত আসতে পেরেছি।’

একই ধরনের কথা বলেন টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ট্রাকের সহকারী সজীব হোসেন। তা ছাড়া ইতিহাস পরিবহনের চালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে মির্জাপুর বাইপাসে আটকা পড়ে আছি। জাম (জ্যাম) কখন ছাড়ে কে জানে।’

মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি খলিলুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় ঢাকাগামী মানুষের চাপ বেড়েছে। তাতে গাড়ির সংখ্যাও বেড়েছে। মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজ চলায় বিভিন্ন স্থানে প্রচুর ধুলা উড়ছে। প্রচণ্ড রোদ আর ধুলায় যানজট নিরসনে বেগ পেতে হচ্ছে।

 



মন্তব্য