kalerkantho


সংসদে কৃষিমন্ত্রী

খাদ্যঘাটতি থেকে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জুন, ২০১৮ ০০:০০



কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কৃষি খাতকে গতিশীল করার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে চলেছে। এর ফলে বাংলাদেশ খাদ্যঘাটতি থেকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ এবং তা যথাযথ বাস্তবায়নের ফলে কৃষি উৎপাদনে এই অসামান্য সফলতা অর্জিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কৃষিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে এসংক্রান্ত লিখিত প্রশ্ন উত্থাপন করেন ন্যাপের মিসেস আমিনা আহমেদ। জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, চাল, গম, ভুট্টাসহ সব ধরনের ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত আছে।

জাতীয় পার্টির সদস্য বেগম সালমা ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মতিয়া চৌধুরী জানান, বর্তমানে সারা দেশে মোট আবাদযোগ্য কৃষিজমির পরিমাণ ৮৫ লাখ ৭৭ হাজার ৫৫৬ হেক্টর। মোট সেচকৃত জমির পরিমাণ ৭৪ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ হেক্টর। বাকি কৃষিজমিও সেচের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সংরক্ষিত আসনের সদস্য ফিরোজা বেগম চিনুর প্রশ্নের জবাবে মতিয়া চৌধুরী জানান, কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ নিশ্চিত করতে কৃষক পরিবারকে দুই কোটি পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ২০৮টি কৃষি উপকরণ কার্ড বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে কৃষকের মাঝে এক কোটি ৯১ লাখ ৮১ হাজার ৪৬৭টি ও কিষানির মাঝে ১৩ লাখ ৬২ হাজার ৬৪১টি কার্ড বিতরণ করা হয়। সরকারের বিশেষ সুবিধায় কৃষি উপকরণ কার্ডের মাধ্যমে খোলা সচল ১০ টাকার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৯২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৯০টি। এর মাধ্যমে কৃষকরা ফসল উৎপাদনে ঋণ ও কৃষি উপকরণ সহায়তা পেয়ে থাকে।

সরকারি দলের সদস্য বজলুল হক হারুনের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী জানান, বারি উদ্ভাবিত প্রযুক্তি কৃষক পর্যায়ে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ই-কৃষি চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রযুক্তির তথ্য কৃষক পর্যায়ে সহজলভ্য করতে মোবাইল অ্যাপস কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে।



মন্তব্য