kalerkantho


পুকুরে ডুবে এক পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ জুন, ২০১৮ ০০:০০



ফরিদপুর ও বরিশালে পুকুরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পানিতে ডুবে গতকাল রবিবার মৃত্যু হয়েছে এক পরিবারের তিন শিশুর। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই-বোন। অন্যদিকে বরিশাল উজিরপুরে পুকুরে ডুবে মৃত্যু হয়েছে দুই কিশোরের। তারা সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে। শনিবার বিকেলে তারা গোসলে নেমে দুর্ঘটনার শিকার হয়।

ফরিদপুর থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, ভাঙ্গা উপজেলায় পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে জিমি (৮), সাজ্জাদ (২) ও মিম (৭) নামে তিন শিশুর। তারা একই পরিবারের। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে শিশু সাজ্জাদ পানিতে পড়ে গেলে অন্য দুজন উদ্ধার করতে যায়। তারাও পানিতে ডুবে যায়। স্বজনরা দ্রুতই তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলেও কাউকে বাঁচানো যায়নি। নুরুল্যাগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়ী গ্রামের মাতুব্বর বাড়ির পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত মিম কাঁঠালবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা বাশার মাতুব্বর। জিমি সদরপুরের একটি কিন্ডারগার্টেনে নার্সারি শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবার নাম জমির মাতুব্বর।

স্বজনরা জানায়, ঘটনার পাঁচ মিনিটের মধ্যে দুই শিশু ও ৪৫ মিনিট পর আরেক শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাদের দ্রুত নেওয়া হয় সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

বরিশাল অফিস জানায়, উজিরপুরে গুঠিয়া বায়তুল আমান মসজিদ কমপ্লেক্সের পুকুর থেকে শনিবার সন্ধ্যায় উদ্ধার হয়েছে দুই কিশোরের লাশ। মৃত রাহাত বিশ্বাস (১৫) চেংগুড়িয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন টিটু বিশ্বাসের ছেলে। অন্যজন রুম্মান (১৬) একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তারা দুজন সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে।

স্থানীয়রা জানায়, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে রাহাত ও রুম্মান মসজিদের পুকুরে গোসল করতে নামে। দীর্ঘক্ষণ পুকুরের পানিতে ডুবোডুবির একপর্যায়ে রাহাত নিখোঁজ থাকে। তখন রাহাতকে খুঁজতে গিয়ে ঘাটলার নিচে রুম্মান আটকা পড়ে।

খবর পেয়ে বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিয়া পৌঁছে সন্ধ্যায় মসজিদের ঘাটলার নিচ থেকে রুম্মান ও রাহাতকে উদ্ধার করে।



মন্তব্য