kalerkantho


টেকনাফে ‘ইয়াবা ডন’ ধরার দাবিতে মাঠে আওয়ামী লীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

২৫ মে, ২০১৮ ০০:০০



কক্সবাজারের টেকনাফে প্রথমবারের মতো ইয়াবার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। দলীয় নেতারা মানববন্ধন ও সমাবেশ করে সীমান্তের একজন ‘শীর্ষ ইয়াবা ডন’সহ চিহ্নিত ইয়াবা কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক হাজার ১৫১ জন ইয়াবা কারবারির তালিকা স্বচ্ছ নয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা। নেতারা এ রকম অস্বচ্ছ তালিকা নিয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের যাতে হয়রানি করা না হয় সে জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

টেকনাফ শাপলা চত্বর প্রাঙ্গণে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সরকারদলীয় বিভিন্ন সংগঠন মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে বিপুলসংখ্যক ছাত্র-শিক্ষকসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পদক নূরুল বশর, আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি নূরুল আলম চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নূর হোসেন, উপজেলা যুবলীগ নেতা ফজলুল কবির, পৌর যুবলীগ আহ্বায়ক তোয়াক্কল হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুলতান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুন্না, জেলা ছাত্রলীগ নেতা মো. শাহীন, আলী আকবর, আব্দুল বাসেদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ইয়াবা কারবারিদের দেখেই শনাক্ত করা যায়। একজন সাধারণ মানুষের রাতারাতি ধনাঢ্য ব্যক্তি হওয়ার নেপথ্যে তার আয়ের উৎস খুঁজলেই সঠিক তথ্য বের করা সম্ভব। অথচ টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবার চিহ্নিত গডফাদারকে এড়িয়ে সাধারণ মানুষকেও তালিকায় লিপিবদ্ধ করায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ও নূরু বশর বলেন, ইয়াবা কারবার বন্ধ করতে হলে আগে টেকনাফের এক শীর্ষ ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এই ব্যক্তিই প্রথম ইয়াবা কারবার উদ্বোধন করেছিলেন টেকনাফ সীমান্তে। এ বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘শীর্ষ ইয়াবা ডনের নাম না বললেও সবাই জানেন এই ডন কে। প্রশাসনের তদন্ত সংস্থাকে আরো বেশি তদন্ত করে স্বচ্ছ তালিকা তৈরির দাবি আমাদের।’



মন্তব্য