kalerkantho


বাম দলগুলোর বিক্ষোভ সমাবেশ

বাজার নৈরাজ্য বন্ধ করে গণবণ্টন ব্যবস্থা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ মে, ২০১৮ ০০:০০



বাজার নৈরাজ্য বন্ধ করে দেশব্যাপী টিসিবির কার্যক্রম জোরদার ও গণবণ্টন ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছে বামপন্থী দলগুলো। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধে গতকাল মঙ্গলবার আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানিয়েছেন দলগুলোর নেতারা।

সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার উদ্যোগে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয়ভাবে গতকাল বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম। বক্তব্য দেন সিপিবির সহকারী সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাসদ কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুর রহমান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের হামিদুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের বাচ্চু ভুঁইয়া প্রমুখ।

সিপিবি সাধারণ সম্পাদক বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতি চর্চার নামে সরকার বাজার নৈরাজ্যকে প্রণোদনা দিচ্ছে। মানুষের আয় বাড়ার যুক্তি দিয়ে বাজারে যে লুট চলছে তাকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী, আমলা, ব্যবসায়ী সব সিন্ডিকেটের অংশ। সরকারি দলের মাস্তানরা শহর থেকে গ্রামের হাটে-ঘাটে চাঁদাবাজি করছে। বাম বিকল্প শক্তিই বাজার অর্থনীতির বিকল্প অর্থনীতি দিতে পারে।

বাসদ কেন্দ্রীয় সদস্য বজুলর রশীদ ফিরোজ অতিমুনাফাখোর সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, লুটেরা সরকারের কাছে গরিবদের দাবি জানিয়ে কোনো লাভ নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে পাড়া-মহল্লায় কমিটি গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে অন্যান্য বক্তা বলেন, প্রতিবছর রোজার আগে মন্ত্রীরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ব্যবসায়ীরাও দাম না বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। সরকার সেটা প্রচারও করে। কিন্তু দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক হারে বাড়াটা একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে। সরকারের লোক-দেখানো উদ্যোগে শহরের কিছু মানুষ সুবিধা পেলেও গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য সরকার ভাবে না। তাঁরা সরকারি উদ্যোগে সার-বীজের মতো টিসিবির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করে গ্রাম ও ইউনিয়ন পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।


মন্তব্য