kalerkantho


আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা   

২৪ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আজ শুরু

খুলনা মহানগরীর রায়পাড়া এলাকায় দুজন বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। কে বা কারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত, তা পরিষ্কার না হলেও এলাকাবাসীর ধারণা, খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনকে সামনে রেখে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে বিএনপি এ হামলার জন্য শেখ পরিবারের সদস্যদের দিকে আঙুল তুলেছে।

এদিকে কেসিসি নির্বাচনে গতকাল সোমবার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। আজ মঙ্গলবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যাবে প্রচারণার আনুষ্ঠানিক পর্ব।

নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের মহানগর শাখার সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু গতকাল সংবাদ সম্মেলনে নগরীর বিভিন্ন স্থানে তাঁর দল ও সমর্থকদের ওপর হামলা-হুমকির পাশাপাশি হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, গত কয়েক দিনে খুলনায় শেখ পরিবারের সদস্যরা খুবই কর্মতৎপর ছিল। এরপরই নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির সহসভাপতি ওমর ফারুকের বাড়িতে হামলা হলো, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হলো। এ ছাড়া বিভিন্নভাবে ভোটারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন এমপির পৈতৃক বাড়ি খুলনার শেরেবাংলা রোডে। তিনি খুলনায় এসে সেখানেই অবস্থান করেন। বর্তমানে কেসিসি নির্বাচনের কাজে তিনি খুলনায় আছেন।

প্রচারণা শুরুর আগেই হামলা, হুমকি ও দুই মেয়র পদপ্রার্থীর পরস্পরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে কি না, তা নিয়ে অনেক প্রার্থীও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. জিয়াউল ইসলাম মন্টু বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হলে পরাজিত হলেও দুঃখ নেই। কিন্তু ভোটের ফল ছিনিয়ে নেওয়া হলে তা হবে দুঃখজনক। প্রশাসনকে এসব অপতত্রতার বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহজী কামাল টিপু বলেন, ‘ভোটাররা সুষ্ঠুভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় আছি।’

 

 


মন্তব্য