kalerkantho


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিকল্পনাসভা

দরিদ্রদের বিনা মূল্যে চিকিৎসার নতুন পথ খুঁজছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবার আওতায় নিয়ে আসতে নতুন পথ খুঁজছে সরকার। সেই সঙ্গে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্যক্রমের গতি বাড়াতে স্বাস্থ্যবীমা জাতীয়ভাবে কার্যকর করার উদ্যোগ নিতেও নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা ভাবছে। এসব নিয়ে গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাস্থ্য খাতের আরো উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে নতুন উপায় উদ্ভাবনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই কার্যক্রম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ স্বাস্থ্য খাতে কাজ করা বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এটুআই (অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন) কার্যক্রমের পরিচালক (ইনোভেশন-ই সার্ভিস) মো. মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, নিপসমের অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ, এটুআই কার্যক্রমের পলিসি অ্যাডভাইজার অনির চৌধুরীসহ অন্যরা বক্তব্য দেন। সভায় দেশে দরিদ্র রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সব নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যবীমা বাধ্যতামূলক করা, স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক তথ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা, চিকিৎসায় রেফারেল সিস্টেম কার্যকর, অসংক্রামিত রোগ নিয়ন্ত্রণসহ অনেক বিষয়ে উদ্ভাবনী নানা পন্থা তুলে ধরা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ সভায় বলেন, ‘সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা আমাদের জন্য বড় এক চ্যালেঞ্জ। কারণ চিকিৎসা ব্যয় সামাল দেওয়া বেশির ভাগ নাগরিকের ক্ষেত্রেই কঠিন হয়ে পড়ছে। সর্বশেষ গবেষণা অনুসারে আমরা জানতে পেরেছি, দেশে একজন মানুষকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে নিজের পকেট থেকে ৬৭ শতাংশ খরচ বহন করতে হয়। এ জন্য আমাদেরকে অবশ্যই নতুন পথ খুঁজে বের করতে হবে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্যক্রমের সফলতা সব নাগরিকের জন্য নিশ্চিত করতে হবে। যাতে করে কোনো মানুষই তার প্রয়োজনে টাকার অভাবে আর বিনা চিকিৎসায় থাকবে না। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবীমার আওতায় ধনীদের প্রিমিয়ামে গরিব মানুষরা সেবা পাবে।’



মন্তব্য