kalerkantho


ফারমার্স ব্যাংকে জালিয়াতি

বাবুল চিশতী ফের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



ফারমার্স ব্যাংকে জালিয়াতির ঘটনায় ব্যাংকটির অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতীকে (বাবুল চিশতী) আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিন হেফাজতে রাখার (রিমান্ড) অনুমতি দিয়েছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে বাবুল চিশতীকে গতকাল আদালতে হাজির করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত কর্মকর্তা কমিশনের উপপরিচালক শামসুল আলম আবার পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম মুহম্মদ ফাহদ বিন আমিন চৌধুরী দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল বাবুল চিশতীকে পাঁচ দিন ও তাঁর ছেলেসহ তিনজনকে চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত বুধবার বাবুল চিশতীর ছেলে রাশেদুল হক চিশতী, ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুদুর রহমান খানকে চার দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাঁদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

ফারমার্স ব্যাংকে জালিয়াতির ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন বাবুল চিশতী ও তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্য, ব্যাংকের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে গত সপ্তাহে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ২০১২ সালে অনুমোদন দেওয়া ফারমার্স ব্যাংকের কার্যক্রম শুরুর পরই অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন কর্মকর্তারা। আস্থার সংকট তৈরি হলে আমানতকারীদের অর্থ তোলার চাপ বাড়ে। পরিস্থিতির অবনতি হলে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান পদ ছাড়তে বাধ্য হন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী)। পরিচালকের পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তাঁরা।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় গুলশান থানায় দুর্নীতি দমন কমিশনের করা এ মামলায় বাবুল চিশতীর স্ত্রী রোজী চিশতী, ফারমার্স ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গুলশান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেনও আসামি।

এজাহারে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা ও উত্তোলন করেন।

 



মন্তব্য