kalerkantho


বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতাল

বাঞ্ছারামপুরের ৩০ জনের চোখে ফ্রি অপারেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



বাঞ্ছারামপুরের ৩০ জনের চোখে ফ্রি অপারেশন

বাঞ্ছারামপুরের সোবাহানিয়া ইসলামিক ফাজিল মাদরাসায় পরিচালিত ফ্রি চক্ষু শিবিরে গতকাল বেশ কিছু রোগীর চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আরো ৩০ রোগীর চোখে গতকাল বুধবার বিনা মূল্যে অস্ত্রোপচার (অপারেশন) শুরু হয়েছে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতাল ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে। এর আগে গত ৭ মার্চ প্রথম দফায় একই এলাকার আরো ২৬ জনের চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়। পর্যায়ক্রমে ওই এলাকার মোট ১৫০ জনের চোখে বিনা মূল্যে অস্ত্রোপচারের কার্যক্রম চলছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৩০ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুরের সোবাহানিয়া ইসলামিক ফাজিল মাদরাসায় বসুন্ধরা গ্রুপ, বসুন্ধরা আই হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও ভিশন কেয়ার ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে পরিচালিত একটি ফ্রি চক্ষু শিবিরে এক হাজার ২০০ জনের চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ১৫০ জনের চোখে অস্ত্রোপচারের দরকার পড়ে। তখন ঢাকায় এসে তাদের অস্ত্রোপচার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে প্রথম দফায় গত ৭ মার্চ ২৬ জনকে ওই হাসপাতালে এনে অস্ত্রোপচার করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে গতকাল অস্ত্রোপচারের জন্য ওই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় আরো ৩০ জনকে, যাদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ ও ১৫ জন নারী। তাদের ভেতর কারো চোখের ছানি ও কারো চোখের ভেতর মাংসপেশি বৃদ্ধিজনিত সমস্যা রয়েছে।

বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতাল ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সালেহ আহম্মেদ বলেন, ‘প্রতিবছরই আমরা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ক্যাম্প করে বিনা মূল্যে দরিদ্র রোগীদের চোখের চিকিৎসা দিই। এরই অংশ হিসেবে বাঞ্ছারামপুরে ফ্রি আই ক্যাম্প পরিচালনা করি। সেখানে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের মধ্যে যাদের অপারেশনের প্রয়োজন হয় তাদের আমরা এই হাসপাতালে এসে অপারেশনের পর পরামর্শ দিয়ে এসেছিলাম। আশা করি, সবাই তাদের দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবে, নতুন করে দেখতে পাবে এই সুন্দর পৃথিবী।’

মানুষের প্রতি ভালোবাসার দৃষ্টান্ত নিয়ে বিনা খরচে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম করছে এই প্রতিষ্ঠান। গতকাল অস্ত্রোপচার পরিচালনা করেন অধ্যাপক ডা. সালেহ আহম্মেদ, ডা. মজিবর রহমান, ডা. রুবিনা আক্তারসহ আরো কয়েকজন চিকিৎসক।

 



মন্তব্য