kalerkantho


সমুদ্রসম্পদ উত্তোলনে জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে বেসরকারি খাত

সম্পদ চিহ্নিতকরণে বাংলাদেশ ও ইইউর যৌথ সমীক্ষা চলছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৯ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



ঢাকায় গতকাল রবিবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বক্তারা সমুদ্রসম্পদ উত্তোলন ও বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বেসরকারি খাতের জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) ঢাকায় একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশের নীল সাগর অথনীতিতে সুযোগ কাজে লাগানোয় চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক বৈঠকের আয়োজন করে।

বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট) রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম বলেন, ‘আপনাদের আগ্রহ ও সহযোগিতায় আমরা নীল সাগর অর্থনীতির সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে সমর্থ হব বলে আমি আশা করি।’

সচিব বলেন, ‘আজ বা আগামীকাল বাংলাদেশ সমুদ্রসম্পদের সুফল কাজে লাগাতে পারবে। আমরা এখন অলস বসে নেই। আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে যৌথ সমীক্ষা চালাচ্ছি।’

খুরশেদ আলম বলেন, গত বছর ওই সমীক্ষা শুরু হয়েছে। এ বছরের মাঝামাঝি বা শেষ নাগাদ ফল আসবে বলে আশা করা যায়। যৌথ সমীক্ষা দল সমুদ্রসম্পদ চিহ্নিতকরণসহ সব দিক খতিয়ে দেখছে।

বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার নূর আশিকিন মো. তাইব সমুদ্রসম্পদ কাজে লাগাতে বেসরকারি খাতের এগিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নীল সাগর অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার বলেন, ‘সমুদ্রসম্পদকে আমরা কী উপায়ে আরো ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারি তা খতিয়ে দেখছি।’

নূর আশিকিন মো. তাইব বলেন, নীল সাগর অর্থনীতি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমুদ্র ও সমুদ্রসম্পদকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে উপকূলীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। বাংলাদেশের বেসরকারি খাত সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির মাধ্যমে নীল সাগর অর্থনীতির মতো স্পর্শকাতর অর্থনৈতিক খাতগুলোতে ক্রমেই যুক্ত হচ্ছে। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বিএমসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন বক্তব্য দেন।



মন্তব্য