kalerkantho


চাকরি কোটার সংস্কার চেয়ে করা রিট খারিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



চাকরি কোটার সংস্কার চেয়ে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, কোটা পদ্ধতি সরকারের নীতিনির্ধারণী বিষয়। এ ছাড়া সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে রিট আবেদনকারীর কেউই সংক্ষুব্ধ বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি না হওয়ায় আবেদন সরাসরি খারিজ করা হলো। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ রিট আবেদন খারিজ করে দেন।

সূত্র জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসুর রহমান মীর, ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সদস্যসচিব ও বাসসের সিনিয়র রিপোর্টার দিদারুল আলম এবং ‘দৈনিক আমাদের অর্থনীতি’ পত্রিকার সিনিয়র সাব-এডিটর আবদুল ওয়াদুদ গত ৩১ জানুয়ারি রিট আবেদন করেছিলেন। তাঁদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এখলাস উদ্দিন ভুইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। রিট আবেদনে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনি, প্রতিবন্ধী, নারী, জেলা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ সব ধরনের কোটা পদ্ধতির সংস্কার চাওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে কোটা পদ্ধতি প্রবর্তন করে ১৯৭২ সালের ৫ নভেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপন পুনর্মূল্যায়ন চাওয়া হয়েছিল।

গতকাল শুনানিকালে আদালত রিট আবেদনকারীর আইনজীবীর কাছে জানত চান, কোটা থাকায় রিট আবেদনকারীর কেউ কোনো সমস্যায় পড়েছিলেন কি না? যিনি ছাত্র তিনি কি কোটা পদ্ধতির কারণে কোনো নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি?

আইনজীবী বলেন, আবেদনকারীর একজন ছাত্র, অন্য দুজন সাংবাদিক। তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় আদালত তাঁকে ভর্ত্সনা করেন। এ সময় আদালত বলেন, ‘যিনি ছাত্র, তিনি তো এখনো কোনো নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেননি। তাহলে তিনি সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হন কী করে? আর সাংবাদিকদের জন্য কি কোনো কোটা পদ্ধতি আছে? আপনারা তো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েই আদালতে এসেছেন।’

 


মন্তব্য