kalerkantho


শিশু আইনের অস্পষ্টতা দূর করার নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



শিশু আইনে থাকা অস্পষ্টতা দূর করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হাইকোর্টকে জানাতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি ইনায়েতুর রহীম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি শিশু হলে তার বিচার শিশু আদালতে আর আসামি প্রাপ্তবয়স্ক হলে তার বিচার হবে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে—এ রকম বিধানসংবলিত ২০১৩ সালের শিশু আইনের সংশোধনী হাইকোর্টে দাখিল করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। গত ১৫ জানুয়ারি শিশু (সংশোধন) আইন-২০১৮ নামে এ খসড়া দাখিল করা হয়। গতকাল পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিল। এ অবস্থায় আদালত খসড়া আইনের অস্পষ্টতা বিষয়ে লিখিত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।

শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি প্রাপ্তবয়স্ক হলে তার বিচার কোন আইনে বা কোন আদালতে হবে, সে বিষয় শিশু আইন ২০১৩-এ অস্পষ্টতা থাকায় আদালত এ আইনটি সংশোধন করতে সরকারকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এ অবস্থায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি খসড়া দাখিল করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে ঢাকা, কক্সবাজার ও রংপুরে করা পৃথক চার মামলায় বিভিন্ন সময় প্রাপ্তবয়স্ক চার আসামি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করে। চারটি মামলার মধ্যে দুটি করা হয় শিশু আইনে, অন্য দুটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে। পৃথক দুই আইনে দায়ের হওয়া মামলার সাজাও আলাদা। শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি প্রাপ্তবয়স্ক হলে তার বিচার কোন আইনে বা কোন আদালতে হবে, সে বিষয়ে ২০১৬ সালের ১৪ আগস্ট তিন সচিবের কাছে ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট।



মন্তব্য