kalerkantho


পবার দারুশা কলেজ

সেই ‘অধ্যক্ষ’ ও সভাপতির দুর্নীতি তদন্তে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



রাজশাহীর পবা উপজেলার দারুশা কলেজের সেই ‘অধ্যক্ষ’ ও সভাপতির নানা অনিয়ম তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত সোমবার বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান ও সভাপতি সোহরাব হোসেনসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

দুদকের রাজশাহী অফিসের উপপরিচালক আব্দুল করিম বলেন, ‘দারুশা কলেজের অনিয়মের বিষয়টি আমরা অনুসন্ধানে নেমেছি। এরই মধ্যে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আরো অনুসন্ধান চলছে।’

এদিকে বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান ও সভাপতি সোহরাব হোসেনের বাধার কারণে গত বছর ডিসেম্বর মাসেরও বেতন উত্তোলন করতে পারেননি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীরা। নভেম্বর মাসেরও বেতন উত্তোলন করতে পারেননি ৩৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী। টানা দুই মাস বেতন উত্তোলন করতে না পেরে ব্যাপক ভোগান্তিতে রয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

কলেজের একজন অফিস সহকারী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বেতন বিলের কপিতে এখনো বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষের নাম রয়েছে। এ নিয়ে জটিলতার কারণেই শিক্ষক-কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে টানা দুই মাসের বেতন উত্তোলন করতে পারেননি।’

জানা যায়, নানা অনিয়মের অভিযোগে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে আব্দুল মান্নানকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেন সর্বোচ্চ আদালত। এরপর রেহেনা বেগম নামের এক শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু অবৈধভাবে আব্দুল মান্নানকে আবারও অধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্বহাল করে কলেজ কমিটির সভাপতি। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি বেতনের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করায় দুই শিক্ষককে কলেজের কক্ষে আটকে রেখে মানসিকভাবে নির্যাতন করেন আব্দুল মান্নান।



মন্তব্য