kalerkantho


ফিটনেস

শরীরচর্চায় সময়জ্ঞান

৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



শরীরচর্চায় সময়জ্ঞান

শরীর গঠনের জন্য আমরা অনেকেই জিমে যাই। দারুণ সব উপকরণে ঠাসা জিমে আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটিয়ে দিই। শরীরকে আরো শক্তপোক্ত করতে একের পর ব্যায়াম করতে থাকি। কিন্তু কখনো কি চিন্তা করেছি এগুলো শরীরের জন্য উপকারী না অপকারী। এটাই সত্যি যে, ব্যায়াম শরীরের জন্য উপকারী হলেও কোনো কোনো সময় তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ব্যায়ামের আগে অবশ্য জেনে নিতে হবে কতটুকু ব্যায়াম আপনার জন্য উপকারী, আর কখন তা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

কত সময় ব্যায়াম করতে হবে?

এটা ঠিক যে, যত বেশি ব্যায়াম করা হবে শরীর ততই সুসংগঠিত হবে। কিন্তু ডাক্তারি মতে সপ্তাহে পাঁচ দিন এবং এক ঘণ্টার বেশি ব্যায়াম করা উচিত নয়। কেননা ব্যায়ামের ফলে শরীরের ওপর যে চাপ পড়ে তা কাটিয়ে উঠতে শরীরকে সময় দেওয়া প্রয়োজন।

বয়সটাও মনে রাখতে হবে

জিমে গিয়ে শুধু ব্যায়াম করলেই হবে না। ব্যায়ামের আগে নিজের বয়সটা মনে রাখতে হবে। বিশেষ করে বয়স যদি ৩৫ হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই আপনাকে সতর্ক হতে হবে। এ বয়সে ব্যায়াম শুরুর আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। নিশ্চিত হবে হতে ব্যায়ামের ফলে আপনার শরীর যেন ক্ষতির মুখে না পড়ে।

 

কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়

ব্যায়ামের আগে অবশ্যই পেটের অবস্থাটা খেয়াল রাখতে হবে। কোনোমতেই খালি পেটে ব্যায়াম করা যাবে না। ব্যায়ামের অন্তত দুই ঘণ্টা আগে কিছু খেতে হবে। শুধু ভারী খাবার খেলে চলবে না, পানিও পান করতে হবে। ব্যায়ামের আগে ও পরে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে। শুরুতেই ভারী ব্যায়াম করলে চলবে না, বরং ব্যায়াম শুরুর আগে হালকা ওয়ার্ম আপ করে শরীরকে প্রস্তুত করে নিতে হবে। আবার অনুশীলনের পর শরীরকে ঠাণ্ডা হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

ব্যায়ামে তাড়াহুড়া করা যাবে না। অনেক সময় দেখা যায় অল্প সময়ে ব্যায়াম শেষ করতে অনেকেই তাড়াহুড়া করে। বরং ধীরে শুরু করতে হবে এবং ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো ভালো।

ব্যায়ামে অনিয়মিত নয়, নিয়মিত হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে শরীরের অবস্থা বুঝে লক্ষ্য নির্ধারণ করা উচিত।



মন্তব্য