kalerkantho


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

অভ্যর্থনাকেন্দ্র নির্মাণ করছে মিয়ানমার

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে সামনে রেখে সীমান্তে একটি অভ্যর্থনাকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শেষ করেছে মিয়ানমার। এ ছাড়া নির্মাণাধীন আরো একটি কেন্দ্রের কাজ শেষ হবে আগামী সপ্তাহে। মিয়ানমারের একজন অভিবাসন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রেডিও ফ্রি এশিয়ার (আরএফএ) প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি মিয়ন্ত কিয়াং বলেন, তং পিয়ো লেট ওয়ে গ্রামের অভ্যর্থনা কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। না খু ইয়া গ্রামের অভ্যর্থনা কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ হবে আগামী সপ্তাহে। এর আগে মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আয়ে বলেছেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করবে মিয়ানমার।

পার্মানেন্ট সেক্রেটারি মিয়ন্ত কিয়াং বলেন, স্বেচ্ছায় মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ফিরে যেতে আগ্রহীদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ইতিমধ্যে বেশ কিছু কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের তথ্য-উপাত্ত সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের কাছে ফরম পাঠানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের প্রমাণ করতে হবে যে তারা ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবরের পর মিয়ানমার ছেড়েছে এবং এর আগে মিয়ানমারে তাঁদের বসতবাড়ি ছিল।

আরএফএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার পর বর্তমান প্রেক্ষাপটে কতজন ফিরতে চায় তা স্পষ্ট নয়। তা ছাড়া জাতিসংঘের তদন্তকারীদের কাছে রোহিঙ্গাদের বেশির ভাগই মিয়ানমারে নির্যাতন-নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন।

ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে চলতি মাসের মাঝামাঝি নেপিডোতে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে ওই বৈঠকের দিনক্ষণ নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে।



মন্তব্য