kalerkantho


রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ

ক্যামেরা ট্রায়ালে চলছে বাদীর জেরা

আদালত প্রতিবেদক   

৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পাঁচজন আসামির আইনজীবীরা বাদীকে জেরা করছেন। ষষ্ঠ দিনের মতো গতকাল বুধবার জেরা করা হয়েছে।

গতকাল ধর্ষিত দুই শিক্ষার্থী ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। রুদ্ধদ্বার এজলাসে (ক্যামেরা ট্রায়াল) প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদের পক্ষে বাদীকে জেরা করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের সময় রাষ্ট্রপক্ষে ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ছাড়া বাদী ও আসামিপক্ষের আইনজীবী এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। অন্য কাউকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

ঢাকার ২ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বাদীকে জেরা করেন আসামির আইনজীবী। জেরা শেষ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিচারক শফিউল আযম অবশিষ্ট জেরা ও পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

সাফাতের পক্ষে বাদীকে জেরা করেন অ্যাডভোকেট কাজী নজীব উল্যাহ হিরু। বাদীপক্ষে মহিলা সমিতির আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার রিংকি এবং রাষ্ট্রপক্ষে ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আলী আকবর এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষ্যগ্রহণের আগে মামলার আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তাঁর বন্ধু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ই-মেকার্সের কর্মকর্তা নাঈম আশরাফ ওরফে আবদুল হালিম, ঢাকার পিকাসো রেস্তোরাঁর মালিক রেগনাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে সাদমান সাফিক, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

গত বছরের ১৭ অক্টোবর ধর্ষণের শিকার এক শিক্ষার্থী, যিনি মামলার বাদী তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এর আগে গত ১৩ জুলাই ধর্ষণ ও সহায়তার অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করা হয়। গত ১৯ জুন সাফাত আহমেদ ও তাঁর বন্ধু নাঈম আশরাফ ওরফে আবদুল হালিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং সাফাতের বন্ধু সাদমান সাফিক, গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।


মন্তব্য