kalerkantho


কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



শুধু ধান, চাল ও গম নয়, দেশে উৎপাদিত সব কৃষিপণ্যের মূল্য সরকারিভাবে নির্ধারণ করার সুপারিশ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। গতকাল বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বাজারে পণ্যের ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম মনিটরিং করারও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য আব্দুল মান্নান, মো. মামুনুর রশীদ কিরণ, এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন, মো. নূরুল ইসলাম ওমর, উম্মে কুলসুম স্মৃতি ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংসদ সচিবালয় জানায়, বৈঠকে কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে আলোচনাকালে কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্য বলেন, আলুসহ অনেক কৃষিপণ্য দেশে পর্যাপ্ত উৎপাদন হচ্ছে। কিন্তু বাজারে সেগুলোর মূল্য নেই বললেই চলে। যে কারণে পণ্য উৎপাদনে যে টাকা খরচ করা হচ্ছে, বিক্রি করে অনেক সময় সেই টাকাই ঘরে তুলতে পারছে না কৃষকরা। এভাবে চললে কৃষকরা উৎপাদন বিমুখ হয়ে যাবে বলেও তাঁরা মন্তব্য করেছেন।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ধান, চাল, গম ও তামাক ছাড়া অন্য কোনো কৃষিপণ্যের মূল্য সরকারিভাবে নির্ধারণ করা হয় না। আন্ত মন্ত্রণালয় সভার মাধ্যমে সরকারিভাবে ধান, চাল, গম ও তামাকের সরকারি ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়। চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে আলু ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের মূল্য বাজার কর্তৃক স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হয়ে আসছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, বাজার মনিটরিং এবং বাজার সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল করার জন্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তর চেষ্টা করে। উৎপাদন খরচ ও মূল্য বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে যৌক্তিক মূল্যে কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের লক্ষ্যে পাইকারি পর্যায়ে ২ থেকে ৫ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে আলু, মসলাজাতীয় পণ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ও অন্যান্য পচনশীল শাক-সবজিতে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন করা হয়ে থাকে। কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের এ কার্যক্রম মনিটরিং করা হয়ে থাকে।



মন্তব্য