kalerkantho


ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি

গ্লোবাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



গ্লোবাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস শুরু

গতকাল রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস। ছবি : কালের কণ্ঠ

তৃতীয়বারের মতো শুরু হয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি গ্লোবাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০১৭। গতকাল বুধবার রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবে এর উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব বিজনেস কমিউনিকেটরের (আইএবিসি) আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী কর্মযজ্ঞের বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাভার ক্যাম্পাসে। আর এ আয়োজনের প্লাটিনাম স্পন্সর বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেড।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ সাদ আন্দালিব। এ ছাড়া বক্তব্য দেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্কুলের শিক্ষক রহিম তালুকদার, বসুন্ধরা গ্রুপের হেড অব ডিভিশন দেলোয়ার হোসেন, ইউনিসেফের কমিউনিকেশন ম্যানেজার এম মাহিল ফয়জুল্লাহ, আইএবিসির অ্যাডভাইজার আদিবা নোশিন, আইএবিসির প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আকিব হোসেন প্রমুখ।

আয়োজকরা জানান, আগের বছরগুলোতে শিক্ষার্থীদের ১০টি কমিটি থাকলেও এবার আরো নতুন দুটি কমিটি যোগ হয়েছে। এবার অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় ৪০০। মূলত ১৬ থেকে ২৮ বছরের তরুণদের কোয়ালিটি বৃদ্ধি করা, কিভাবে ক্রাইসিস মোমেন্টে কাজ করতে হবে সে বিষয়ে ধারণা দিতেই এ আয়োজন। তবে এই পাঁচ দিনে ১২টি কমিটি ‘পিস অ্যান্ড ইকুয়ালিটি’ বিষয়ে বিতর্ক, আলোচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে অংশ নেবে। সব শেষে একটি রেজল্যুশন তৈরি করে তা ইউনাইটেড নেশনসের কাছে পাঠানো হবে।

অধ্যাপক সৈয়দ সাদ আন্দালিব বলেন, ‘তরুণদের নেতৃত্ব গুণাবলি বিকশিত করতে হবে। তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। আত্মবিশ্বাস না থাকলে তাদের পিছিয়ে পড়তে হবে। গ্লোবাল মডেল ইউনাইটেড নেশনসের মতো প্রগ্রামগুলো শিক্ষার্থীদের জীবনযাপনেও পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে বলে আমার বিশ্বাস।’ তিনি তাঁর বক্তব্যে নিজের জীবনেরও কিছু উদাহরণ তুলে ধরেন।

মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘মানুষের কমিটমেন্ট রক্ষা করাটা জরুরি। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবনেও এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কমিটমেন্ট ঠিক না থাকলে একজন তরুণের পক্ষে ওপরে ওঠা সম্ভব নয়।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ১২টি কমিটির শিক্ষার্থীদের সাভার ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রতিদিন এসব কমিটির দুই থেকে তিনটি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সন্ধ্যায় একটি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজনও রাখা হয়েছে।



মন্তব্য