kalerkantho


নোটিশ বোর্ড

ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে বিজয় দিবস

১৮ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



নানা কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সেবা সংস্থা ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে পালিত হলো মহান বিজয় দিবস। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনাসভা, সংগীতানুষ্ঠান, মিলাদ মাহফিল, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, শোভাযাত্রা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ইত্যাদি।

 

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় : ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. খোন্দকার মোকাদ্দেম হোসেনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় ধানমণ্ডি ৩২-এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে। এ ছাড়া হয় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। ক্যাম্পাসে ছিল আলোকসজ্জাও।

 

ইউডা : দিবসটি উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভে (ইউডা) আয়োজন করা হয় আলোচনাসভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তাতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুজিব খান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. রফিকুল ইসলাম শরিফ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাজাকাত আলী প্রমুখ।

 

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি : জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে ধানমন্ডিস্থ বিশ্ববিদ্যালয় সেমিনার হলে আয়োজন করা হয় আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক।

 

প্রেসিডেন্সি : বিশ্ববিদ্যালয়ের গুলশান ক্যাম্পাসের কনফারেন্স হলে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) জামিল উদ্দীন আহসান (বীরপ্রতীক)। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা শাহজামান মজুমদার (বীরপ্রতীক)।

 

বশেমুরকৃবি : দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও জয়বাংলা ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, প্রীতি খেলাধুলা, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।

 

ড্যাফোডিল : বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহাবুব উল হকের নেতৃত্বে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবগুলোর উদ্যোগে হয় বিজয় শোভাযাত্রা। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সমবেত কণ্ঠে শুদ্ধ সুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া ছিল মুক্তিযুদ্ধের কবিতা পাঠ, দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যনাট্য।

 

হামদর্দ : বিজয় দিবস উপলক্ষে হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের উদ্যোগে দেশব্যাপী হামদর্দের সব চিকিৎসা ও বিক্রয় কেন্দ্রে দুস্থ রোগীদের মাঝে বিনা মূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের চিফ মোতোয়ালি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ড. হাকিম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া।

 

এনএসইউ : নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির প্রধান অংশ ছিল দেশের বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের গর্বিত অভিভাবক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশকে সম্মাননা প্রদান। ছিল বিজয় দিবসের বিশেষ আলোচনাসভা। এ ছাড়া ইউনিভার্সিটির সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।

 

ইউজিসি : কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বিজয় দিবস সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের উত্থান ফিনিক্স পাখির মতো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা না হলে বাংলাদেশ এই সময়ে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হতো।

 

সিলাঙ্গর : মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদদের স্মরণে গত শনিবার মালয়েশাির সিলাঙ্গর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফানুস প্রাইভেট লিমিটেডের কুইজার্ডস দলের যৌথ উদ্যোগে ‘লাল সবুজের বিজয় দিবস’ শিরোনামে ক্যাম্পেইন এবং কুইজ প্রতিযোগিতা হয়। সিলাঙ্গর বিশ্ববিদ্যালয়ের বনানী ক্যাম্পাসে হয় এই প্রতিযোগিতা।

 

মেরিটাইম : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ কমোডর এম খুরশীদ মালিক। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিশেষ দোয়া, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও আলোচনা অনুষ্ঠান।

 

প্রাইমএশিয়া : প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কনফারেন্স রুমে ‘৭১-এর যুদ্ধ শিশু : মহান এক জাতির শর্তহীন ভালোবাসা’ শীর্ষক সেমিনার হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী প্রধান অতিথি ছিলেন। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন কানাডা সরকারের সাবেক ফেডারেল কর্মকর্তা এবং ‘৭১-এর যুদ্ধ শিশু অবিদিত ইতিহাস’-এর লেখক মোস্তফা চৌধুরী। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

 

আশা ইউনিভার্সিটিতে নবীনবরণ

আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আশাইউবি) ফার্মেসি বিভাগের ফল-২০১৭ শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ডালেম চন্দ্র বর্মণ। অনুষ্ঠানে বক্তারা নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কোর্স, আধুনিক ল্যাব ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক বিষয় তুলে ধরেন। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের দেশ-বিদেশে চাকরির যেসব সুযোগ রয়েছে, তা অবহিত করেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের মানসম্মত শিক্ষা পদ্ধতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।



মন্তব্য